ধর্মমন্ত্রীর কাছে যে প্রশ্নের জবাব চাইলেন রুমিন ফারহানা


অনলাইন ডেস্ক প্রকাশের সময় : জুলাই ১৩, ২০২৬, ৬:৪১ অপরাহ্ণ
ধর্মমন্ত্রীর কাছে যে প্রশ্নের জবাব চাইলেন রুমিন ফারহানা

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল-আশুগঞ্জ ও বিজয়নগর উপজেলার কিছু এলাকায় তরুণ সমাজকে ধর্মীয় উগ্রবাদ, অপপ্রচার ও সামাজিক বিভাজন থেকে দূরে রাখতে মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রগুলোকে কাজে লাগানো হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ধর্ম বিষয়কমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ।

তিনি জানান, তরুণদের ইসলামের প্রকৃত শান্তির বাণী, নৈতিক শিক্ষা ও সম্প্রীতির চেতনায় উদ্বুদ্ধ করতে স্থানীয় পর্যায়ে বিভিন্ন সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

সোমবার (১৩ জুলাই) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের ২৩তম দিনে প্রশ্নোত্তর পর্বে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার লিখিত প্রশ্নের জবাবে ধর্মমন্ত্রী এসব তথ্য জানান। বিকেল ৩টায় শুরু হওয়া সংসদ অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

রুমিন ফারহানার প্রশ্ন ছিল, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সরাইল-আশুগঞ্জ এবং বিজয়নগর উপজেলার আংশিক এলাকায় ধর্মীয় উগ্রবাদ ও সামাজিক বিভাজন প্রতিরোধে তরুণদের জন্য সচেতনতামূলক ধর্মীয় শিক্ষা ও সম্প্রীতি কার্যক্রমে সরকার কী পদক্ষেপ নিয়েছে। জবাবে ধর্মমন্ত্রী বলেন, ওই এলাকার সামাজিক শান্তি, সম্প্রীতি ও অসাম্প্রদায়িক চেতনা বজায় রাখতে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে। এ লক্ষ্যে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে বিভিন্ন সচেতনতামূলক উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, তরুণদের উগ্রবাদ, গুজব ও বিভ্রান্তিকর প্রচারণা থেকে দূরে রাখতে স্থানীয় আলেম, ওলামা, ইমাম ও খতিবদের মাধ্যমে জুমার খুতবা, ধর্মীয় সেমিনার এবং সম্প্রীতি সভার আয়োজন করা হচ্ছে। এসব কার্যক্রমে উগ্রবাদ ও গুজবের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে তরুণদের সচেতন করা হচ্ছে।

ধর্মমন্ত্রী আরও জানান, সামাজিক ও ধর্মীয় সম্প্রীতি জোরদারে বিভিন্ন ধর্মাবলম্বী নেতাদের অংশগ্রহণে আন্তঃধর্মীয় সংলাপ ও সম্প্রীতি সমাবেশ নিয়মিত আয়োজন করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে সংসদ সদস্যদের পরামর্শ ও সহযোগিতায় যুবসমাজের জন্য নৈতিক শিক্ষা ও সামাজিক সম্প্রীতি বৃদ্ধির কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

তিনি বলেন, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের মাধ্যমে পুরোহিত ও সেবাইতদের প্রশিক্ষণ এবং খ্রিস্টান ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের উদ্যোগে ছাত্র-যুবাদের নীতি-নৈতিকতা বিষয়ক কর্মশালার আয়োজন করা হয়ে থাকে। এ ছাড়া ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আওতায় ‘ধর্মীয় সম্প্রীতি ও সচেতনতা বৃদ্ধিকরণ’ শীর্ষক প্রকল্প গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও জানান ধর্মমন্ত্রী।