সাতক্ষীরার শ্যামনগরে বাঁশের সাঁকোর স্থলে সেতুর দাবিতে এলাকাবাসীর মানববন্ধন


শ্যামনগর,সাতক্ষীরা, এস কে সিরাজ প্রকাশের সময় : জুলাই ২৩, ২০২৬, ৬:৫২ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরার শ্যামনগরে বাঁশের সাঁকোর স্থলে সেতুর দাবিতে এলাকাবাসীর মানববন্ধন

সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার রমজাননগর ইউনিয়নের মাদার নদীর ওপর নির্মিত জরাজীর্ণ বাঁশের সাঁকোর পরিবর্তে একটি স্থায়ী সেতু নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন এলাকাবাসী।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) বিকেল ৪টার দিকে রমজাননগর ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণের ব্যানারে ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য মো. আনারুল ইসলামের বাড়িসংলগ্ন মাদার নদীর ওপর অনুষ্ঠিত হয় এ মানববন্ধন।

মানববন্ধনে বক্তব্য দেন গ্রাম্য চিকিৎসক কিরণ চন্দ্র পরমান্য, মো. রেজাউল ইসলাম, শেখ মিজানুর রহমান, মো. মুনছুর গাইন, রমেশ চন্দ্র মণ্ডল, ফজিলা খাতুন, মোছা. রাবেয়া খাতুন, গহর আলম বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মো. আলামিন হোসেন ও সোনাখালী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী বাধন মণ্ডলসহ অনেকে।

বক্তারা বলেন, রমজাননগর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড, নূরনগর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ড এবং কৈখালী ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের হাজারো মানুষ দীর্ঘদিন ধরে মাদার নদীর ওপর নির্মিত বাঁশের সাঁকো দিয়ে চলাচল করছেন। বর্তমানে সাঁকোটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে শিশু শিক্ষার্থী, শিক্ষক-শিক্ষিকা, সরকারি-বেসরকারি চাকরিজীবীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এ পথ ব্যবহার করছেন।

এলাকাবাসী জানান, এই সাঁকো দিয়ে ১০৪ লক্ষ্মীনাথপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ভৈরবনগর দারুল উলুম বালিকা দাখিল মাদ্রাসা, রমজাননগর ইউনিয়ন তোফাজ্জেল হোসেন মাধ্যমিক বিদ্যালয়, গহর আলম নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়সহ আশপাশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা যাতায়াত করেন।

তারা আরও জানান, রমজাননগর বদ্দিপাড়া এলাকায় সুপেয় পানির সংকট থাকায় পাশের নূরনগর ইউনিয়নের হরিনাগাড়ী গ্রামের জেলা পরিষদের সরকারি দিঘি থেকে এই সাঁকো ব্যবহার করে পানি সংগ্রহ করতে হয়। এছাড়া জরুরি রোগী ও প্রসূতি নারীদের চিকিৎসাসেবা নিতে এ পথ ব্যবহার করতে গিয়ে নানা দুর্ভোগ পোহাতে হয়।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, সাঁকোটির বর্তমান অবস্থা এতটাই নাজুক যে প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে। যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। তাই দ্রুত বাঁশের সাঁকোর পরিবর্তে একটি স্থায়ী সেতু নির্মাণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তারা।