
দলীয় কর্মসূচিতে অনুপস্থিতি ও শৃঙ্খলাবিরোধী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে রাজশাহী মহানগর ছাত্রদলের বিভিন্ন ইউনিটের ১৪ নেতাকে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দেওয়া হয়েছে। আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে। সন্তোষজনক জবাব না পাওয়া গেলে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও নোটিশে সতর্ক করা হয়েছে।
রাজশাহী মহানগর ছাত্রদলের আহ্বায়ক রাকিন রায়হান রবিন, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক খালিদ বিন ওয়ালিদ আবির এবং সদস্যসচিব এমদাদুল হক লিমন এ শোকজ নোটিশে স্বাক্ষর করেন।
দলীয় কর্মসূচিতে অনুপস্থিত থাকার অভিযোগে শোকজ পাওয়া নেতাদের মধ্যে রয়েছেন—রাজশাহী সরকারি সিটি কলেজ ছাত্রদলের আহ্বায়ক আবু সাঈদ হাসান রিয়াদ, সুজাউদ্দৌলা ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি আসফাত ইসলাম আফ্রিদি, সিনিয়র সহসভাপতি সাদিকুর রহমান জিম, সাধারণ সম্পাদক সামির হোসেন, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম রোদ্র, সাংগঠনিক সম্পাদক রওনক আবীদ।
এ ছাড়া অগ্রণী স্কুল অ্যান্ড কলেজ ছাত্রদলের সিনিয়র সহসভাপতি ওয়াকিলুর রহমান বিশাল, সাধারণ সম্পাদক রেদওয়ান আলম সাফিন, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সোহানুর রহমান সোহান, সাংগঠনিক সম্পাদক এ্যানি খাতুন, শহীদ বুদ্ধিজীবী সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি হাফিজুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক রুহানউজ্জামান রিজন এবং দারুস সালাম কামিল মাদ্রাসা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক সাদাত রায়েদকেও শোকজ করা হয়েছে।
নোটিশে উল্লেখ করা হয়, গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক দায়িত্বে থাকার পরও তারা ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদ ঘোষিত কর্মসূচিগুলো যথাযথভাবে পালন করেননি এবং একাধিক কর্মসূচিতে অনুপস্থিত ছিলেন। এ কারণে কেন তাদের বিরুদ্ধে স্থায়ী সাংগঠনিক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, তা ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে লিখিতভাবে জানাতে বলা হয়েছে।
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে লিখিত জবাব দিতে তাদের মহানগর ছাত্রদলের আহ্বায়ক, সদস্যসচিব ও সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়কের উপস্থিতিতে দলীয় কার্যালয়ে হাজির হতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এদিকে, শৃঙ্খলাবিরোধী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে রাজশাহী মহানগরের মতিহার থানা (দক্ষিণ) ছাত্রদলের সাবেক সদস্য সারোয়ার হোসেন তিমেলকেও কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। নোটিশে তার বিরুদ্ধে সংগঠনবিরোধী আচরণের সুস্পষ্ট প্রমাণ পাওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
আপনার মতামত লিখুন :