নতুন কুঁড়ির প্রথম আসরের পর্দা নামছে সোমবার, পুরস্কার দেবেন প্রধানমন্ত্রী


অনলাইন ডেস্ক প্রকাশের সময় : জুলাই ২৬, ২০২৬, ৮:৫৬ অপরাহ্ণ
নতুন কুঁড়ির প্রথম আসরের পর্দা নামছে সোমবার, পুরস্কার দেবেন প্রধানমন্ত্রী

দীর্ঘ প্রতিযোগিতামূলক ও রোমাঞ্চকর যাত্রা শেষে পর্দা নামতে যাচ্ছে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৫-২০২৬’-এর প্রথম আসরের। দেশব্যাপী আয়োজিত এই বৃহৎ ক্রীড়া উৎসবের জাতীয় পর্বের গ্র্যান্ড ফাইনাল ও জমকালো সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে আগামীকাল সোমবার রাজধানীর আর্মি স্টেডিয়ামে। সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।

সোমবার (২৬ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৩টায় শুরু হতে যাওয়া এই সমাপনী আয়োজনে দেশের খুদে ক্রীড়াবিদদের উৎসাহ দিতে মাঠের কার্যক্রমে সরাসরি অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী। আয়োজক সূত্র জানায়, বিকেল ৪টায় ভেন্যুতে উপস্থিত হওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী রাজশাহী ও রংপুর অঞ্চলের মধ্যে অনুষ্ঠিত বালিকা বিভাগের ফুটবল ফাইনালের দ্বিতীয়ার্ধ উপভোগ করবেন। এরপর অনুষ্ঠিত হবে বালক ও বালিকা বিভাগের ১০০ মিটার দৌড়ের উত্তেজনাপূর্ণ ফাইনাল।

খেলা শেষে অনুষ্ঠানে প্রদর্শিত হবে প্রতিযোগিতার ওপর নির্মিত প্রামাণ্যচিত্র। পাশাপাশি থিম সং-এর সঙ্গে শিশু শিল্পীদের মনোমুগ্ধকর নৃত্য পরিবেশনাও উপভোগ করবেন আমন্ত্রিত অতিথিরা। প্রধান অতিথির দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য শেষে বিজয়ী খুদে ক্রীড়াবিদদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হবে। পরে অতিথিরা বিজয়ীদের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক ফটোসেশনে অংশ নেবেন।

উল্লেখ্য, গত ২ মে সিলেট জেলা স্টেডিয়ামে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৫-২০২৬’-এর আঞ্চলিক পর্বের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। দেশের বিভিন্ন উপজেলা ও জেলা থেকে ১২ থেকে ১৪ বছর বয়সী প্রায় ১ লাখ ৭০ হাজার শিশু-কিশোর এই আয়োজনে অংশ নেয়।

ফুটবল, ক্রিকেট, কাবাডি, অ্যাথলেটিক্স, ব্যাডমিন্টন, দাবা, সাঁতার ও মার্শাল আর্ট—এই আটটি ক্রীড়া বিভাগে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। আঞ্চলিক পর্ব শেষে গত ২০ জুলাই ঢাকার বিভিন্ন ভেন্যুতে শুরু হয় জাতীয় পর্ব। এতে দেশের ১০টি অঞ্চলের প্রায় ১ হাজার ৭০০ ক্রীড়াবিদ ও কর্মকর্তা অংশ নেন।

যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, প্রতিযোগিতায় অসাধারণ প্রতিভার স্বাক্ষর রাখা খেলোয়াড়দের বিশেষ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। বাছাই করা এসব খুদে প্রতিভাকে বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের (বিকেএসপি) বিভিন্ন শাখায় প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক মানের ক্রীড়াবিদ হিসেবে গড়ে তোলা হবে। আয়োজকদের মতে, এই উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য হলো শিশু-কিশোরদের ডিজিটাল গ্যাজেটের অতিরিক্ত আসক্তি থেকে দূরে রেখে খেলাধুলার মাধ্যমে সুস্থ ও প্রতিভাবান প্রজন্ম গড়ে তোলা।