মাদরাসার অব্যবহৃত জমিতে খেলার মাঠ তৈরির নির্দেশ


অনলাইন ডেস্ক প্রকাশের সময় : জুলাই ১১, ২০২৬, ৪:৫১ অপরাহ্ণ
মাদরাসার অব্যবহৃত জমিতে খেলার মাঠ তৈরির নির্দেশ

দেশের সরকারি ও এমপিওভুক্ত বেসরকারি মাদরাসাগুলোর অব্যবহৃত জমিকে খেলাধুলার উপযোগী মাঠে রূপান্তরের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে মাদরাসা শিক্ষার্থীদের খেলাধুলায় আরও সম্পৃক্ত করতে তাদের জন্য পৃথকভাবে জাতীয় পর্যায়ের ক্রীড়া প্রতিযোগিতা আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সম্প্রতি মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তর এ বিষয়ে দেশের সব সরকারি ও এমপিওভুক্ত বেসরকারি মাদরাসার অধ্যক্ষ, সুপার ও এবতেদায়ি প্রধানদের কাছে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা পাঠিয়েছে। পাশাপাশি জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদেরও এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে।

অধিদপ্তরের নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের গত ৭ জুলাই জারি করা চিঠির আলোকে এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এর লক্ষ্য হলো মাদরাসা শিক্ষার্থীদের জন্য খেলাধুলার সুযোগ বৃদ্ধি এবং সুস্থ শারীরিক ও মানসিক বিকাশ নিশ্চিত করা।

নির্দেশনা অনুযায়ী, কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের অধীন কোনো মাদরাসায় অব্যবহৃত জমি থাকলে তা জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের (এনএসসি) নির্ধারিত নকশা অনুসরণ করে খেলার মাঠে রূপান্তরের ব্যবস্থা নিতে হবে। যেসব প্রতিষ্ঠানে মাঠ নির্মাণ করা সম্ভব, সেসব জমির পরিমাণ, তফসিল ও মৌজা ম্যাপসহ প্রয়োজনীয় তথ্য যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া বর্তমানে যেসব মাদরাসায় খেলার মাঠ রয়েছে, সেগুলো প্রয়োজন অনুযায়ী সংস্কার করে খেলাধুলার উপযোগী করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। এ কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম পরিচালনার কথাও নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে।

সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, মাদরাসা শিক্ষার্থীদের খেলাধুলার প্রতি আগ্রহ বাড়াতে তাদের জন্য পৃথকভাবে জাতীয় পর্যায়ের ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হবে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে মাদরাসা শিক্ষার্থীদের খেলাধুলায় অংশগ্রহণ বৃদ্ধি পাবে, শারীরিক সক্ষমতা ও মানসিক বিকাশে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে এবং সহশিক্ষা কার্যক্রম আরও শক্তিশালী হবে।

শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা বলছেন, একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি খেলাধুলা ও সহশিক্ষা কার্যক্রমে মাদরাসা শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করার এ উদ্যোগ তাদের সামগ্রিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।