
দেশব্যাপী ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হচ্ছে আগামীকাল বৃহস্পতিবার (২ জুলাই)। পরীক্ষা সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও নকলমুক্ত রাখতে ঢাকা থেকে সারাদেশের সব পরীক্ষা কেন্দ্র সরাসরি মনিটরিং করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
বুধবার (১ জুলাই) দুপুরে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিটি পরীক্ষা কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। একই সঙ্গে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে একটি কেন্দ্রীয় সিসিটিভি মনিটরিং সেল গঠন করা হয়েছে, যেখান থেকে দেশের যেকোনো প্রান্তের যেকোনো কেন্দ্রের পরীক্ষা সরাসরি পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হবে।
তিনি আরও বলেন, প্রতিটি কেন্দ্রে দায়িত্ব পালনকারী পুলিশ কর্মকর্তাদের কাছে বডি-ওর্ন ক্যামেরা থাকবে। এতে পরীক্ষাকেন্দ্রে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা প্রতিরোধ এবং সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সহজ হবে।
মন্ত্রী জানান, মোট ৭৭টি বিষয়ে ২১ দিনে লিখিত পরীক্ষা সম্পন্ন হবে। যেসব দিনে পরীক্ষা থাকবে না, সেসব দিনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে স্বাভাবিক শ্রেণি কার্যক্রম চলবে। সংবাদ সম্মেলনের শুরুতে পরীক্ষার সার্বিক প্রস্তুতির তথ্য তুলে ধরা হয়। জানানো হয়, এ বছর ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ড মিলিয়ে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন।
এর মধ্যে ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে পরীক্ষার্থী ১০ লাখ ৬৯ হাজার ৭১৪ জন, মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডে ৯২ হাজার ৯০৫ জন এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে ১ লাখ ৭ হাজার ৯৬৪ জন। মোট পরীক্ষার্থীর মধ্যে ছাত্র ৬ লাখ ২১ হাজার ৯৬৯ জন এবং ছাত্রী ৬ লাখ ৪৮ হাজার ৬১৪ জন।
এবার মোট পরীক্ষা কেন্দ্রের সংখ্যা ২ হাজার ৬৯৭টি এবং পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৯ হাজার ৪৩৯টি। ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এইচএসসি পরীক্ষা অভিন্ন প্রশ্নপত্রে অনুষ্ঠিত হবে। সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা মন্ত্রণালয়বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেকসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
আপনার মতামত লিখুন :