২৫ হাজার মিডওয়াইফ নিয়োগ দেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী


অনলাইন ডেস্ক প্রকাশের সময় : জুলাই ১১, ২০২৬, ৪:৩২ অপরাহ্ণ
২৫ হাজার মিডওয়াইফ নিয়োগ দেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী

সরকারি স্বাস্থ্যসেবা আরও শক্তিশালী ও জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগের ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি জানিয়েছেন, সরকারি পর্যায়ে সারা দেশে ২৫ হাজার মিডওয়াইফ এবং ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেওয়া হবে। পাশাপাশি উপজেলা ও জেলা পর্যায়ের ৫১ শয্যার হাসপাতালগুলো পর্যায়ক্রমে ১০০ শয্যায় উন্নীত করা হবে।

শনিবার (১১ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের ৮১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকারি পর্যায়ে ২৫ হাজার মিডওয়াইফ নিয়োগ দেওয়া হবে। তারা গর্ভবতী মায়েদের নিরাপদ ও স্বাভাবিক (নরমাল) প্রসবে উৎসাহিত করবেন এবং মাতৃস্বাস্থ্যসেবাকে আরও কার্যকর করে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন। একই সঙ্গে দেশের স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মীও নিয়োগ দেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, দেশের উপজেলা ও জেলা পর্যায়ের ৫১ শয্যার সরকারি হাসপাতালগুলো ধাপে ধাপে ১০০ শয্যায় উন্নীত করা হবে। এর মাধ্যমে চিকিৎসাসেবার সক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে এবং রোগীরা স্থানীয় পর্যায়েই উন্নত চিকিৎসাসেবা গ্রহণের সুযোগ পাবেন।

রাজধানীকেন্দ্রিক চিকিৎসাসেবার ওপর অতিরিক্ত চাপ কমানোর ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে আরও সক্রিয়ভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে। এতে গ্রামাঞ্চলের মানুষকে চিকিৎসার জন্য অপ্রয়োজনে ঢাকায় ছুটে আসতে হবে না এবং স্থানীয় পর্যায়েই উন্নত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

এর আগে, সকালেই ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ক্যাম্পাসে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তাঁর আগমনকে ঘিরে সকাল থেকেই ক্যাম্পাস ও আশপাশের এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করে। এ সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন সহধর্মিণী ও ঢাকা মেডিকেল কলেজের সাবেক শিক্ষার্থী ডা. জুবাইদা রহমান।

অনুষ্ঠান শেষে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের ‘২০ হোস্টেল প্রকল্প’-এর আওতায় দুটি ছাত্রী হোস্টেলের নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, নতুন এই অবকাঠামো নির্মিত হলে মেডিকেল শিক্ষার্থীদের আবাসন সংকট অনেকটাই লাঘব হবে এবং স্বাস্থ্যশিক্ষার পরিবেশ আরও উন্নত হবে।