
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংসদ অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে মন্ত্রী জানান, দেশের অভ্যন্তরীণ রাজস্ব খাত আরও শক্তিশালী করতে নতুন নতুন ব্যবসায়িক খাতকে ভ্যাট ব্যবস্থার আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
অর্থমন্ত্রীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, মুদিদোকান ও বিউটি পার্লারের পাশাপাশি তৈরি পোশাক ও কাপড়ের দোকান, কনফেকশনারি, কসমেটিকস বা প্রসাধনীর দোকান, প্লাস্টিক ও সিরামিকের গৃহস্থালি পণ্য বিক্রেতা, জুতার দোকান, হার্ডওয়্যার পণ্যের ব্যবসা, ডেকোরেটর এবং মোবাইল ফোন, এসি, ফ্রিজ, ওভেনসহ বিভিন্ন ইলেকট্রনিকস পণ্যের বিক্রেতাদের ভ্যাটের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে।
এ ছাড়া পেইন্ট, স্যানিটারি ও ফিটিংস, টাইলস, ঢেউটিন, রড ও সিমেন্টের দোকান, ফার্নিচার ব্যবসা, মিষ্টান্ন ভাণ্ডার এবং রেস্টুরেন্টকেও নতুন করে ভ্যাট ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত করার পরিকল্পনা করা হয়েছে।
সংসদে অর্থমন্ত্রী আরও জানান, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ভ্যাট খাত থেকে সরকারের মোট রাজস্ব আদায় হয়েছে ১ লাখ ৪১ হাজার ৫৮৬ কোটি টাকা। তিনি বলেন, দেশের রাজস্ব আহরণ বাড়াতে এবং অভ্যন্তরীণ অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করতে কর ও ভ্যাট ব্যবস্থার আওতা সম্প্রসারণের পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নতুন ব্যবসায়িক খাতগুলো ভ্যাটের আওতায় এলে সরকারের রাজস্ব আয় বাড়বে। তবে ছোট ব্যবসায়ীদের ওপর অতিরিক্ত চাপ না পড়ে, সে বিষয়েও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে।
আপনার মতামত লিখুন :