১০ পয়েন্টে বিপৎসীমার ওপরে পানি, সিলেট-চট্টগ্রামে বন্যার শঙ্কা


অনলাইন ডেস্ক প্রকাশের সময় : জুলাই ৯, ২০২৬, ১২:৫৫ অপরাহ্ণ
১০ পয়েন্টে বিপৎসীমার ওপরে পানি, সিলেট-চট্টগ্রামে বন্যার শঙ্কা

সিলেট ও চট্টগ্রাম বিভাগের বিভিন্ন নদীর ১০টি পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পাশাপাশি আরও চারটি পয়েন্টে পানি সতর্কসীমায় রয়েছে। এতে দুই বিভাগের সাত জেলার নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সকাল ৯টা পর্যন্ত পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র (এফএফডব্লিউসি) এ তথ্য জানিয়েছে।

এফএফডব্লিউসি জানায়, সক্রিয় মৌসুমি বায়ু এবং উজানে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে দেশের উত্তর-পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের প্রধান নদ-নদীর পানি বাড়ছে।

সিলেট বিভাগের চারটি প্রধান নদীর ছয়টি স্টেশনে পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে। এর মধ্যে সুনামগঞ্জের মারকুলি পয়েন্টে কুশিয়ারা নদী, মনু নদীর মনু রেলওয়ে ব্রিজ ও মৌলভীবাজার সদর পয়েন্ট, ধলাই নদীর কমলগঞ্জ পয়েন্ট এবং খোয়াই নদীর বল্লা ও হবিগঞ্জ সদর পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

এ ছাড়া কুশিয়ারা নদীর শেওলা, ফেঞ্চুগঞ্জ ও শেরপুর স্টেশনে পানি সতর্কসীমায় রয়েছে। এসব স্থানে পানি আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

অন্যদিকে, পাহাড়ি ঢল ও অতিবৃষ্টির প্রভাবে চট্টগ্রাম বিভাগের সাঙ্গু ও মাতামুহুরী নদীর পানিও বৃদ্ধি পেয়েছে। সাঙ্গু নদীর বান্দরবান সদর ও দোহাজারী পয়েন্ট এবং মাতামুহুরী নদীর বান্দরবানের লামা ও কক্সবাজারের চিরিঙ্গা পয়েন্টে পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে।

এ ছাড়া চট্টগ্রামের হালদা নদীর পাঁচপুকুরিয়া পয়েন্টে পানি সতর্কসীমায় অবস্থান করছে।

নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় সিলেট বিভাগের সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ ও সিলেট এবং চট্টগ্রাম বিভাগের বান্দরবান, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার জেলার নদীতীরবর্তী নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।

বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র এবং স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট এলাকার বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার এবং যেকোনো পরিস্থিতিতে প্রশাসনের নির্দেশনা অনুসরণ করার আহ্বান জানানো হয়েছে।