
ভোলার লালমোহন উপজেলায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মো. ইব্রাহীম খলিল নয়ন নামে এক কলেজছাত্রকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর হত্যায় ব্যবহৃত ছুরিসহ থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করেছে অভিযুক্ত মো. আব্দুল্লাহ আল মানিক নামে এক স্কুলছাত্র। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) দুপুরে লালমোহন পৌর এলাকার সেলিম চেয়ারম্যানের বাড়ির সামনে সড়কে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত ইব্রাহীম খলিল নয়ন পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মো. সালাউদ্দিনের ছেলে। তিনি ডা. আজহার উদ্দিন ডিগ্রি কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্র ছিলেন। অভিযুক্ত আব্দুল্লাহ আল মানিক লালমোহন ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ফুল বাগিচা গ্রামের বাসিন্দা। তিনি নাঙলখালী আব্দুল ওহাব মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী।
স্থানীয়দের বরাতে জানা যায়, দুপুরের দিকে কয়েকজন শিক্ষার্থীর মধ্যে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে সংঘর্ষের সৃষ্টি হয়। এ সময় নয়নকে ছুরিকাঘাত করা হয়। তাকে রক্ষা করতে গেলে মো. আশরাফ ও আরমান নামে আরও দুজন আহত হন।
পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক নয়নকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত আশরাফ ও আরমানের অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশালে পাঠানো হয়েছে।
লালমোহন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. অলিউল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত অভিযুক্ত আব্দুল্লাহ আল মানিক হত্যায় ব্যবহৃত ছুরিসহ থানায় এসেছে। তাকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
ওসি আরও জানান, প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, তুচ্ছ একটি বিষয় নিয়ে তর্কবিতর্কের জেরে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন এবং এর সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
আপনার মতামত লিখুন :