
বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার গোবিন্দপুর এলাকায় কৃষকদের ফসলি জমি ক্ষতিগ্রস্ত করে অবৈধভাবে নদী থেকে বালু উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, গত ১৫ থেকে ১৬ দিন ধরে ভোলা থেকে আসা প্রায় অর্ধশতাধিক ড্রেজারের মাধ্যমে দিন-রাত অবিরাম বালু উত্তোলন চলছে।
অভিযোগ রয়েছে, বর্তমানে মেহেন্দিগঞ্জে কোনো বৈধ বালুমহলের ইজারা না থাকলেও প্রকাশ্যে ড্রেজার বসিয়ে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃশ্যমান কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে দাবি করেন এলাকাবাসী।
স্থানীয়দের ভাষ্য, নিয়ন্ত্রণহীন বালু উত্তোলনের কারণে গোবিন্দপুরের বিস্তীর্ণ ফসলি জমি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। একই সঙ্গে নড়গোড়া এলাকায় নদীভাঙনের ঝুঁকি বেড়েছে। এতে বসতভিটা ও কৃষিজমি নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
এলাকাবাসীর দাবি, নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান নদীভাঙন রোধে কাজ করে যাচ্ছেন এবং অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধেও কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছেন। তবে এরপরও কীভাবে ভোলা থেকে আসা ড্রেজারের মাধ্যমে মেহেন্দিগঞ্জের সীমানায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলন চলছে, তা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
সচেতন মহলের মতে, অবৈধভাবে বালু উত্তোলন অব্যাহত থাকলে নদীভাঙন প্রতিরোধে সরকারের প্রায় ৮০০ কোটি টাকার প্রকল্পের কার্যকারিতা ব্যাহত হতে পারে। কারণ, অপরিকল্পিত ও অবৈধ বালু উত্তোলন নদীর স্বাভাবিক প্রবাহে প্রভাব ফেলে এবং নদীভাঙনের ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে দেয়।
আপনার মতামত লিখুন :