বিএনপির ৬ নেতাকে বেধড়ক পেটাল আ.লীগ


অনলাইন ডেস্ক প্রকাশের সময় : জুন ১১, ২০২৬, ৯:০১ অপরাহ্ণ
বিএনপির ৬ নেতাকে বেধড়ক পেটাল আ.লীগ

খাগড়াছড়ির গুইমারা উপজেলায় বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে কার্যক্রমে নিষেধাজ্ঞাপ্রাপ্ত আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। পৃথক দুই ঘটনায় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের অন্তত ছয় নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

বুধবার (১০ জুন) রাতে উপজেলার বড়পিলাক ও বাইল্যাছড়ি এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে দলীয় ও স্থানীয় সূত্র। জানা গেছে, বড়পিলাক এলাকায় মো. হাসেম নামে এক ব্যক্তির বাড়িতে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের কয়েকজন নেতাকর্মী গোপন বৈঠক করছিলেন। খবর পেয়ে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা সেখানে গেলে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা বিএনপি কর্মীদের ওপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

এ ঘটনায় হাফছড়ি ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক জাকির হোসেন, বড়পিলাক ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মামুন, সদস্য জাহাঙ্গীর আলম রনি, যুবদলের সদস্য মামুন এবং মাহবুব আলম আহত হন। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন।

একই রাতে উপজেলার বাইল্যাছড়ি এলাকায় আরও একটি হামলার ঘটনা ঘটে। অভিযোগ রয়েছে, নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের কর্মী বাপ্পির নেতৃত্বে কয়েকজন ব্যক্তি গুইমারা ইউনিয়নের একটি ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মো. ওমর ফারুক বাবুর ওপর ধারালো অস্ত্র নিয়ে অতর্কিত হামলা চালায়। এতে তার মাথায় গুরুতর আঘাত লাগে।

গুইমারা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আলাউদ্দিন আরিফ জানান, ওমর ফারুক বাবুর শারীরিক অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে খাগড়াছড়ি আধুনিক জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার নিন্দা জানিয়ে গুইমারা উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. সাইফুল ইসলাম সোহাগ ও সাধারণ সম্পাদক মাহবুব আলী বলেন, আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে এবং হামলাকারীদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

খাগড়াছড়ি জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এম এন আবছার অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা পরিকল্পিতভাবে এসব হামলা চালিয়েছে। তিনি বলেন, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে। তবে গুইমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোহরাওয়ার্দী জানান, বড়পিলাক এলাকার ঘটনার বিষয়ে তিনি অবগত রয়েছেন। কিন্তু বাইল্যাছড়ির ঘটনার বিষয়ে এখনও কোনো তথ্য পাননি। লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।