
দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলায় যাত্রীবাহী বাস ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অটোরিকশার চালক। দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা দ্রুত উদ্ধারকাজ চালিয়ে আহতদের হাসপাতালে পাঠান।
সোমবার (৮ জুন) দুপুরে উপজেলার টাটাকপুর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত সেলিনা খাতুন পালপাড়া গ্রামের বাসিন্দা এবং স্থানীয় সাংবাদিক তৌহিদুর রহমান রানার স্ত্রী। আহত সিএনজি চালক আফজাল হোসেন উপজেলার হিলি এলাকার জালালপুর গ্রামের বাসিন্দা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, টাটাকপুর এলাকায় একটি যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে বিপরীত দিক থেকে আসা সিএনজিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের ফলে অটোরিকশাটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং এতে থাকা যাত্রীরা গুরুতর আহত হন।
দুর্ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে ছুটে এসে আহতদের উদ্ধার করে বিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর সেলিনা খাতুনের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। তবে হাসপাতালে নেওয়ার পথেই তিনি মারা যান।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, দুর্ঘটনার পরপরই চিকিৎসকরা তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানান। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য রেফার করা হলেও শেষ পর্যন্ত তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।
বিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম সরকার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, যাত্রীবাহী বাস ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে দুজন আহত হন। তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হলে একজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে তার মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়।
তিনি আরও জানান, দুর্ঘটনায় জড়িত বাসটি পুলিশের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। ঘটনার কারণ অনুসন্ধান করা হচ্ছে এবং এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। এ দুর্ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। নিহত সেলিনা খাতুনের পরিবার ও স্বজনদের মাঝে গভীর শোক বিরাজ করছে।
আপনার মতামত লিখুন :