‘সারা বাংলাদেশ লিখে দিলেও এত খুশি হতাম না’


অনলাইন ডেস্ক প্রকাশের সময় : মে ২৩, ২০২৬, ৫:১৩ অপরাহ্ণ
‘সারা বাংলাদেশ লিখে দিলেও এত খুশি হতাম না’

ময়মনসিংহের ভালুকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েছে কিশোরী সাফওয়ানা সিদ্দিক রেয়ান। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা হওয়ার পর নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে সে বলেছে, “সারা বাংলাদেশ লিখে দিলেও এত খুশি হতাম না, তার চেয়ে হাজার হাজার গুণ বেশি খুশি হয়েছি প্রধানমন্ত্রী আমার সঙ্গে সাক্ষাৎ করায়।”

রেয়ান ভালুকা উপজেলার সিডস্টোর এলাকার এবি সিদ্দিক সুহেলের মেয়ে এবং সাহেরা নায়েব ল্যাবরেটরি হাইস্কুলের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী। এছাড়া সে হবিরবাড়ী ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সভাপতি ও বিএনপি নেতা আবু সাঈদ জুয়েলের ভাতিজি।

শনিবার (২৩ মে) দুপুরে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জন্মজয়ন্তী অনুষ্ঠানে যোগ দিতে সড়কপথে ময়মনসিংহের ত্রিশালে যাচ্ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের ভালুকার সিডস্টোর বাজার এলাকায় ফুল হাতে দাঁড়িয়ে ছিলেন তার খুদে ভক্ত রেয়ান।

প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহর ওই এলাকা অতিক্রম করার সময় রেয়ানের উপস্থিতি ও আকুলতা নজরে আসে তারেক রহমানের। পরে তিনি নিরাপত্তা প্রটোকল উপেক্ষা করে গাড়ি থামানোর নির্দেশ দেন এবং হাসিমুখে রেয়ানের ফুলের শুভেচ্ছা গ্রহণ করেন।

এই মুহূর্তের বর্ণনা দিতে গিয়ে রেয়ান বলে, “প্রধানমন্ত্রী আমার ফুল গ্রহণ করে মাথায় হাত দিয়ে দোয়া করেছেন। শুধু তাই নয়, উনি নিজের জন্যও আমার কাছে দোয়া চেয়েছেন। দেশের প্রধানমন্ত্রীর মতো একজন মানুষ আমার কাছে দোয়া চেয়েছেন— এর চেয়ে বড় পাওয়া আর কী হতে পারে!”

সে আরও জানায়, নিজের আনন্দ ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব নয়।

জানা গেছে, রেয়ানের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর এমন দেখা এবারই প্রথম নয়। গত জানুয়ারিতে ময়মনসিংহ সফর শেষে ফেরার পথেও একই এলাকায় গাড়ি থামিয়ে রেয়ানের সঙ্গে কথা বলেছিলেন তারেক রহমান। দ্বিতীয়বারের মতো প্রিয় নেতার সান্নিধ্য পেয়ে উচ্ছ্বসিত পুরো পরিবার।

রেয়ানের মা শুষমিতা জামান বলেন, “এই অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। পৃথিবীর সবকিছু পেলেও হয়তো এমন আনন্দ হতো না।”