ভাড়া বাসা থেকে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার, কী ঘটেছিল


অনলাইন ডেস্ক প্রকাশের সময় : মে ২৩, ২০২৬, ১১:৩৩ পূর্বাহ্ণ
ভাড়া বাসা থেকে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার, কী ঘটেছিল

যশোরের চৌগাছা উপজেলায় একটি ভাড়া বাসা থেকে রানী খাতুন (২২) নামে এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনার পর থেকে তার স্বামী লিজন রেজা পলাতক রয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। ঘটনাটি ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

শুক্রবার (২২ মে) সকালে চৌগাছা উপজেলা পরিষদের সামনে ডাকবাংলো সড়কের একটি বাসা থেকে রানীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত রানী খাতুন চৌগাছা উপজেলার মশিউরনগর গ্রামের মোস্তফার মেয়ে। তিনি মেহেরপুর সদর উপজেলার টঙ্গি গ্রামের সদর আলীর ছেলে লিজন রেজার স্ত্রী ছিলেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ডাকবাংলো সড়কের সানাউল্লাহর বাসার দ্বিতীয় তলায় স্বামী-স্ত্রী হিসেবে ভাড়া থাকতেন লিজন রেজা ও রানী খাতুন। বাসার মালিকের ছেলে নাজমুল ইসলাম জানান, লিজন রেজা বিদেশে লোক পাঠানোর কাজ করতেন এবং বেশিরভাগ সময় চৌগাছার বাইরে থাকতেন। তিনি যখন বাসায় আসতেন, তখন প্রায়ই স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া হতো।

স্থানীয়দের ধারণা, শুক্রবার সকালে পারিবারিক কলহের একপর্যায়ে রানী খাতুনকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হতে পারে। পরে মরদেহ বিছানায় রেখে লিজন রেজা স্বাভাবিকভাবে বাসা থেকে বেরিয়ে যান।

স্থানীয়রা আরও জানান, বাসা থেকে বের হওয়ার পর লিজন তার শাশুড়ি আম্বিয়া খাতুনকে ফোন করে বলেন, ‘রানী হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েছে, দ্রুত আসেন।’ খবর পেয়ে রানীর মা ঘটনাস্থলে এসে খাটের ওপর মেয়ের নিথর দেহ দেখতে পান। তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন জড়ো হন। পরে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।

ঘটনার পর আহসান হাবিব ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

এ বিষয়ে মামুনুর রশিদ বলেন, প্রাথমিকভাবে এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করা হচ্ছে। স্বামী নিখোঁজ এবং তার মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় সন্দেহ আরও জোরালো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে জানান তিনি।