
ঈদযাত্রাকে ঘিরে রংপুরের পীরগঞ্জ এলাকায় ছয় লেনের সদ্যসমাপ্ত বিশ্বরোড এখন পরিণত হয়েছে ধান, ভুট্টা ও খড় শুকানোর বিশাল মাঠে। ধাপেরহাট থেকে শঠিবাড়ি পর্যন্ত পুরো সড়কজুড়ে দেখা যাচ্ছে কৃষিপণ্যের বিস্তৃত এ দৃশ্য।
জৈষ্ঠ্যের খরতাপ না থাকলেও অবিরাম বৃষ্টি ও কাদা-পানিতে ভরা এলাকার পরিস্থিতিতে শুকনো জায়গার অভাবে বাধ্য হয়েই কৃষকরা সড়ককে ব্যবহার করছেন ফসল শুকানোর জন্য। শুধু সার্ভিস লেন নয়, মূল বিশ্বরোডও দখল হয়ে গেছে এই কাজে।
বর্তমানে ইরী ধান কাটা-মাড়াইয়ের ভরা মৌসুমের পাশাপাশি ভুট্টা তোলা ও মাড়াইয়ের কাজও চলছে ব্যাপকভাবে। একদিকে কৃষকের ব্যস্ততা, অন্যদিকে ঈদযাত্রায় যানবাহনের চাপ—ফলে সড়কে তৈরি হচ্ছে চরম ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতি। ইতোমধ্যেই ছোটখাটো দুর্ঘটনা ও যানবাহনের মধ্যে বাকবিতণ্ডার ঘটনাও ঘটেছে বলে জানা গেছে।
স্থানীয়রা বলছেন, নিরুপায় কৃষকরা বাধ্য হয়েই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বিশ্বরোডে ফসল শুকাচ্ছেন, কারণ আশপাশে শুকানোর মতো কোনো জায়গা নেই। রাস্তাঘাট কাদা ও পানিতে সয়লাব হয়ে পড়ায় একমাত্র খোলা ও প্রশস্ত জায়গা হিসেবে সড়কই ব্যবহৃত হচ্ছে।
তবে ঈদযাত্রার এই ব্যস্ত সময়ে বিশ্বরোডের এমন ব্যবহারকে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে দেখছেন সচেতন মহল। তারা বলছেন, দ্রুত সড়কে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার না করা হলে দুর্ঘটনা ও প্রাণহানির ঝুঁকি আরও বাড়বে।
আপনার মতামত লিখুন :