
সরকার একযোগে ১৭২ জন উপসচিবকে যুগ্ম-সচিব পদে পদোন্নতি দিয়েছে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন সরকার গঠনের পর প্রশাসনে এটিই সবচেয়ে বড় পদোন্নতির ঘটনা।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, পদোন্নতি পাওয়া কর্মকর্তাদের আপাতত জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করা হয়েছে। তবে তাদের নতুন কর্মস্থলে পদায়নের বিষয়ে এখনো পৃথক আদেশ জারি করা হয়নি।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, পদোন্নতিপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা তাদের যোগদানপত্র সরাসরি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিবের কাছে অথবা নির্ধারিত ই-মেইলের মাধ্যমে জমা দিতে পারবেন। এছাড়া, পদোন্নতির আদেশে উল্লেখিত কর্মস্থল পরিবর্তিত হয়ে থাকলে বর্তমান কর্মস্থলের তথ্য উল্লেখ করে যোগদানপত্র দাখিল করতে হবে।
এতে আরও বলা হয়েছে, পরবর্তীতে কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিরূপ বা ভিন্নধর্মী তথ্য পাওয়া গেলে প্রয়োজন অনুযায়ী পদোন্নতির আদেশ সংশোধন বা বাতিল করার অধিকার সরকার সংরক্ষণ করবে।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে প্রশাসনে যুগ্ম-সচিব পদে কর্মরত কর্মকর্তার সংখ্যা এক হাজার ৬১ জন। এবারের পদোন্নতিতে মূলত বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (বিসিএস) প্রশাসন ক্যাডারের ২৪তম ব্যাচের কর্মকর্তাদের অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি পূর্বে পদোন্নতি থেকে বঞ্চিত বিভিন্ন ব্যাচের কর্মকর্তারাও তালিকায় স্থান পেয়েছেন।
‘সরকারের উপসচিব, যুগ্ম-সচিব, অতিরিক্ত সচিব ও সচিব পদে পদোন্নতি বিধিমালা, ২০০২’ অনুযায়ী, যুগ্ম-সচিব পদে পদোন্নতির ক্ষেত্রে ৭০ শতাংশ প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তা এবং ৩০ শতাংশ অন্যান্য ক্যাডারের উপসচিবদের বিবেচনায় নেওয়ার বিধান রয়েছে।
বিধিমালা অনুযায়ী, উপসচিব পদে কমপক্ষে পাঁচ বছর চাকরিসহ সংশ্লিষ্ট ক্যাডারে অন্তত ১৫ বছরের চাকরির অভিজ্ঞতা অথবা উপসচিব হিসেবে কমপক্ষে তিন বছরসহ মোট ২০ বছরের চাকরির অভিজ্ঞতা থাকলে একজন কর্মকর্তা যুগ্ম-সচিব পদে পদোন্নতির জন্য বিবেচিত হন।
আপনার মতামত লিখুন :