
প্রাথমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের জন্য বড় সুখবর দিয়েছে সরকার। আগামী ২০২৬ সাল থেকে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের আর্থিক সুবিধা দ্বিগুণ করা হচ্ছে। ট্যালেন্টপুল ও সাধারণ—উভয় ক্যাটাগরিতে বৃত্তি পাওয়া শিক্ষার্থীরাই এই সুবিধার আওতায় আসবে।
রোববার (১২ জুলাই) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ২০২৫ সালের প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফল ঘোষণা অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানান প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) শাহীনা ফেরদৌসী।
তিনি জানান, বর্তমানে ট্যালেন্টপুল ক্যাটাগরিতে বৃত্তিপ্রাপ্ত একজন শিক্ষার্থী এককালীন ২২৫ টাকা এবং মাসিক ৩০০ টাকা করে পেয়ে থাকে। অন্যদিকে সাধারণ ক্যাটাগরিতে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা এককালীন ২২৫ টাকা ও মাসিক ২২৫ টাকা করে পায়।
তবে ২০২৬ সাল থেকে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের জন্য এই অর্থের পরিমাণ বাড়ানো হচ্ছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ট্যালেন্টপুল বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা এককালীন ৪৫০ টাকা এবং মাসিক ৬০০ টাকা করে পাবে। আর সাধারণ ক্যাটাগরির শিক্ষার্থীরা এককালীন ৪৫০ টাকা এবং মাসিক ৪৫০ টাকা করে পাবে।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বলেন, প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা শুধু মেধা যাচাইয়ের একটি মাধ্যম নয়, এটি শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রতিযোগিতার মানসিকতা তৈরি এবং ভবিষ্যতে দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠার গুরুত্বপূর্ণ একটি ধাপ।
তিনি আরও বলেন, মেধাবী শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করা এবং তাদের শিক্ষা কার্যক্রমে সহায়তা করার লক্ষ্যেই বৃত্তির অর্থ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের এই সিদ্ধান্তে শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শিক্ষকদের মধ্যে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, বৃত্তির অর্থ বৃদ্ধি শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় আরও উৎসাহিত করবে এবং মেধাবীদের স্বীকৃতি দেওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
আপনার মতামত লিখুন :