ময়মনসিংহে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস পালিত


ময়মনসিংহ জেলা প্রতিনিধি, মতিউর রহমান প্রকাশের সময় : জুলাই ১২, ২০২৬, ৫:৫০ অপরাহ্ণ
ময়মনসিংহে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস পালিত

‘তারুণ্যের আশা-আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন করি, আজকের প্রত্যয়ে সুন্দর আগামী গড়ি’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ময়মনসিংহে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস-২০২৬ উদযাপন করা হয়েছে।

রোববার (১২ জুলাই) ময়মনসিংহ বিভাগীয় পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের উদ্যোগে জেলা পরিষদের ভাষা শহিদ আব্দুল জব্বার মিলনায়তনে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহের বিভাগীয় কমিশনার এস. এম হুমায়ুন কবির সরকার। বক্তব্যে তিনি বলেন, পরিবার পরিকল্পনা শুধু জন্মনিয়ন্ত্রণের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রেই এর গুরুত্ব রয়েছে। দেশের জনসংখ্যাকে জনসম্পদে পরিণত করতে হলে পরিকল্পিত পরিবার গঠন এবং জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।

তিনি আরও বলেন, একটি সুস্থ, সুন্দর ও পরিকল্পিত পরিবারই পারে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য ইতিবাচক পরিবেশ তৈরি করতে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন মমেকহা’র পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. জাকির হোসেন। তিনি মাঠ পর্যায়ের পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রমের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা থেকে শুরু করে বিভাগীয় পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফলেই এ কার্যক্রম সফল হচ্ছে। ভবিষ্যতেও এই সমন্বিত প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান তিনি।

ময়মনসিংহ বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. প্রদীপ কুমার সাহা বলেন, অপরিকল্পিত জনসংখ্যা বৃদ্ধি দেশের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। তাই পরিকল্পিত ও নিয়ন্ত্রিত জনসংখ্যাই দেশের প্রকৃত সম্পদে পরিণত হতে পারে।

অনুষ্ঠানের সভাপতির বক্তব্যে ময়মনসিংহ বিভাগীয় পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের পরিচালক মো. মাজহারুল হক চৌধুরী বলেন, মাঠ পর্যায়ের স্বাস্থ্যকর্মীরা মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়ে পরিবার পরিকল্পনা, মা ও শিশুর স্বাস্থ্যসেবা, পুষ্টি নিশ্চিতকরণ, উঠান বৈঠক এবং বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।

আলোচনা সভা শেষে পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রমে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ময়মনসিংহ বিভাগের বিভাগীয়, জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের শ্রেষ্ঠ কর্মকর্তা ও স্বাস্থ্যকর্মীদের হাতে সনদপত্র ও ক্রেস্ট তুলে দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে ময়মনসিংহ পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা এবং মাঠপর্যায়ের স্বাস্থ্যকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।