গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক


অনলাইন ডেস্ক প্রকাশের সময় : মে ১৯, ২০২৬, ৮:২২ অপরাহ্ণ
গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক

রাজধানীর অভিজাত এলাকা গুলশান, বনানী ও বারিধারা লেকের উন্নয়ন, পানি দূষণ রোধ এবং পরিবেশ সংরক্ষণ নিয়ে এক গুরুত্বপূর্ণ উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১৯ মে) বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তারেক রহমান

বৈঠকে গুলশান–বনানী–বারিধারা এলাকার লেকগুলোর বর্তমান পরিবেশগত অবস্থা, পানি দূষণের কারণ এবং দীর্ঘমেয়াদি টেকসই উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। বিশেষভাবে লেকের পানির গুণগত মান উন্নয়ন, অবৈধ দখল ও দূষণ নিয়ন্ত্রণ, সৌন্দর্যবর্ধন এবং নাগরিক সুবিধা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বৈঠকে লেকগুলোর বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরেন এবং ভবিষ্যতে পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষায় বিভিন্ন বাস্তবভিত্তিক পরিকল্পনা উপস্থাপন করেন। লেকের চারপাশে সবুজায়ন বৃদ্ধি, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা উন্নয়ন এবং পানি প্রবাহ স্বাভাবিক রাখার বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমন, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সত্তর, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আবদুস সালাম এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন।

এছাড়া ঢাকা-১৭ আসনের সংসদ সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর সহকারী একান্ত সচিব এবং তার প্রতিনিধি আব্দুর রহমান সানি, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) ইঞ্জিনিয়ার মো. রিয়াজুল ইসলামসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও দপ্তরের সচিব ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে গুলশান লেক এলাকার টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। বিশেষ করে পানি দূষণ নিয়ন্ত্রণ, অবৈধ দখল উচ্ছেদ, পরিবেশগত ভারসাম্য বজায় রাখা এবং আধুনিক নাগরিক সুবিধা সম্প্রসারণের জন্য একটি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণের বিষয়ে মতৈক্য হয়।

উপস্থিত কর্মকর্তারা জানান, রাজধানীর এই গুরুত্বপূর্ণ লেকসমূহ শুধু পরিবেশগত দিক থেকেই নয়, নগর জীবনের সৌন্দর্য ও বাসযোগ্যতা বৃদ্ধিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই এসব জলাধার সংরক্ষণ ও উন্নয়নে সমন্বিতভাবে কাজ করা হবে বলে বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়।