শিশুদের সঙ্গে প্রাণোচ্ছ্বল সময় কাটালেন প্রধানমন্ত্রী


অনলাইন ডেস্ক প্রকাশের সময় : মে ১৯, ২০২৬, ৪:৩১ অপরাহ্ণ
শিশুদের সঙ্গে প্রাণোচ্ছ্বল সময় কাটালেন প্রধানমন্ত্রী

রাজধানীর তেজগাঁওয়ে ভূমি ভবনে অবস্থিত ডে-কেয়ার সেন্টারে শিশুদের সঙ্গে আনন্দঘন সময় কাটিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৯ মে) বেলা সোয়া ১১টার দিকে ‘ভূমিসেবা মেলা-২০২৬’ উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে তিনি মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত ডে-কেয়ার সেন্টারটি পরিদর্শন করেন।

ডে-কেয়ার সেন্টারে প্রবেশ করেই শিশুদের সঙ্গে মিশে যান প্রধানমন্ত্রী। খেলনা, হাসি আর কচি কণ্ঠের উচ্ছ্বাসে মুখর পরিবেশে তিনি প্রায় ১৮ মিনিট সময় কাটান শিশুদের সঙ্গে। ছোট্ট শিশুরাও প্রধানমন্ত্রীকে কাছে পেয়ে আনন্দে উদ্বেল হয়ে ওঠে।

কেউ হাত বাড়িয়ে করমর্দন করেছে, কেউ তাকে নিয়ে গেছে খেলনার কাছে। কয়েকজন শিশু নিজেদের আঁকা ছবি দেখালে প্রধানমন্ত্রী মনোযোগ দিয়ে সেগুলো দেখেন এবং প্রশংসা করেন। কখনও শিশুদের মাথায় হাত বুলিয়ে দেন, আবার কখনও তাদের কথায় প্রাণখোলা হাসিতে মেতে ওঠেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রী শিশুদের সঙ্গে কেক কাটেন এবং নিজ হাতে চকলেট, টফি, ললিপপ ও গিফট ব্যাগ বিতরণ করেন। শিশুদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “আর কেউ কি বাকি আছে? পেয়েছো তোমরা সবাই?”

একপর্যায়ে প্রধানমন্ত্রী মজা করে বলেন, “আজকে কার জন্মদিন বলো তো?” তখন শিশুরা একসঙ্গে বলে ওঠে, “আংকেল আমার!” পরে তিনি বলেন, “আজকে তোমাদের সবার জন্মদিন। আসো, আমরা একসঙ্গে কেক কাটি।” শিশুদের সঙ্গে হাতে হাত রেখে কেক কাটেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় পুরো কক্ষে করতালির ধ্বনি ওঠে। আনন্দঘন মুহূর্তে এক শিশু প্রধানমন্ত্রীকে নিজ হাতে কেক খাইয়েও দেয়।

প্রধানমন্ত্রীকে কাছে পেয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে শিশু আরিবা বলে, “প্রধানমন্ত্রী আংকেলকে দেখে আমি অনেক খুশি। আমরা একসঙ্গে কেক খেয়েছি। আংকেল খুব ভালো, খুব সুইট।” ডে-কেয়ার সেন্টারের কর্মকর্তা মাহিয়া তাসনুভ তামান্না শিশুদের পরিচর্যা ও সেবার বিভিন্ন দিক প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেন। প্রধানমন্ত্রী শিশুদের খাবার ও মানসিক বিকাশ সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।

মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক এ জেড এম জাহিদ হোসেন জানান, সারাদেশে বর্তমানে ২০টি ডে-কেয়ার সেন্টার পরিচালিত হচ্ছে। এসব কেন্দ্রে চার থেকে ছয় বছর বয়সী শিশুরা সাড়ে ১০ ঘণ্টা পর্যন্ত সেবা পেয়ে থাকে। পরিদর্শন শেষে প্রধানমন্ত্রী শিশুদের উদ্দেশে হাত নেড়ে বিদায় জানান। শিশুরাও হাসিমুখে সালাম ও হাত নেড়ে তাকে বিদায় জানায়।