
বিয়ের অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত খরচ ও আড়ম্বরপূর্ণ আয়োজন বন্ধে অতিথি নিয়ন্ত্রণ আইন কার্যকর করার দাবি জানিয়েছেন লক্ষ্মীপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য শাহাদাত হোসেন। তিনি বলেছেন, এ আইন বাস্তবায়ন করা গেলে দেশে মুদ্রাস্ফীতির পরিমাণ কমে আসতে পারে।
সোমবার (২২ জুন) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে বক্তব্য দিতে গিয়ে এ আহ্বান জানান তিনি।
সংসদ সদস্য শাহাদাত হোসেন বলেন, বিয়ের অনুষ্ঠানের নামে দেশে বিত্ত-বৈভবের যে অতিরিক্ত ও অপ্রয়োজনীয় প্রদর্শনী হচ্ছে, তা বন্ধ করা প্রয়োজন। তিনি বলেন, বর্তমানে অনেক বিয়ের আয়োজন সাত-আট দিন এমনকি এক মাস আগে থেকেই শুরু হয় এবং গায়েহলুদসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানে কোরিওগ্রাফার দিয়ে নাচের আয়োজন করা হয়, যা ধর্মীয় অনুশাসনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।
তিনি বলেন, “বিয়ের অতিরিক্ত খরচ বন্ধ করতে হবে। অতীতে যে অতিথি নিয়ন্ত্রণ আইন ছিল, সেই আইন কার্যকর করা প্রয়োজন।” এ সময় তিনি সংসদে উপস্থিত সদস্যদের উদ্দেশে বলেন, সামাজিক ও ধর্মীয় মূল্যবোধ মেনে চললে অপচয় কমবে এবং এর ইতিবাচক প্রভাব অর্থনীতিতেও পড়বে।
শাহাদাত হোসেন আরও বলেন, অতিথি নিয়ন্ত্রণ আইন কার্যকর করা গেলে বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দামও কমতে পারে। তার দাবি, এ ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হলে একদিনেই বাজারে নিত্যপণ্যের দাম অন্তত ১০ শতাংশ পর্যন্ত কমে আসতে পারে।
বক্তব্যে তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মিতব্যয়ী জীবনযাপনের কথাও উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী অপচয় পছন্দ করেন না এবং সাধারণ মানুষের কথা বিবেচনা করে ব্যয়ের ক্ষেত্রে সংযমী থাকার বিষয়ে গুরুত্ব দেন।
সংসদ সদস্যের এই বক্তব্যের মাধ্যমে সামাজিক অনুষ্ঠানগুলোতে অতিরিক্ত ব্যয়, অপচয় এবং আড়ম্বর কমানোর বিষয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সামাজিক রীতিনীতি ও অর্থনৈতিক বাস্তবতার মধ্যে ভারসাম্য রাখার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ।
আপনার মতামত লিখুন :