লক্ষ্মীপুরের আলেকজান্ডার মেঘনা বীচ: নদীর তীরে স্বপ্নের পর্যটন স্পট


স্টাফ রিপোর্টার: প্রকাশের সময় : জুন ৭, ২০২৬, ৬:০৯ অপরাহ্ণ
লক্ষ্মীপুরের আলেকজান্ডার মেঘনা বীচ: নদীর তীরে স্বপ্নের পর্যটন স্পট

লক্ষ্মীপুর জেলার দক্ষিণ উপকূলের আলেকজান্ডার মেঘনা বীচ যেন এক সমুদ্র সৈকত। নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুরসহ আশপাশের জেলার মানুষের কাছে এটি খুবই জনপ্রিয়।

প্রতিক্ষণ জোয়ার-ভাটার খেলা চলে এখানে। ঢেউয়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে নৌকাগুলো যেন নদীর বুকে নাচে। কখনও কখনও সেই ঢেউ কূলের বেলাভূমিতে আছড়ে পড়ে তীব্র শব্দে। এমনই নয়নাভিরাম দৃশ্য উপভোগ করা যায় এ সৈকতে। জেলার সর্বদক্ষিণে কমলনগর ও রামগতির পশ্চিম উপকূল ঘেঁষে গড়ে উঠেছে এই অঘোষিত সৈকত।

লক্ষ্মীপুরের পরিচিতিতে ইলিশের অবদান অনন্য হলেও, মেঘনাতীরবর্তী এই স্থান দিন দিন পর্যটকদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। দেশি-বিদেশি ভ্রমণকারীরা এখন এখানে আসছেন নিরাপদ, সাশ্রয়ী ও কম সময়ে ফুরফুরে সময় কাটানোর জন্য। সহজ যোগাযোগ ব্যবস্থা থাকায় দিনে আসা-যাওয়া সহজ এবং আনন্দ দ্বিগুণ হয়ে ওঠে।

আলেকজান্ডারের মেঘনাতীরে গড়ে উঠেছে এক অনন্য প্রকৃতিক সৌন্দর্যের স্বর্গ। নদীর ধার ঘেঁষে গড়ে ওঠা বেড়িবাঁধের কারণে নিরাপত্তা নিশ্চিত হয় এবং দৃশ্যের ভিন্নতা দেখা যায়। কেউ চাইলে নির্ভয়ে নদীতে গোসলও করতে পারেন।

রামগতি উপজেলার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত এই সৈকত মূলত নদীভাঙন রোধে নির্মিত হয়েছে। তবে শহরের পাশে নদীর উপস্থিতি এটিকে এক পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত করেছে। বাঁধের পাশে বসার ব্যবস্থা, ল্যাম্পপোস্ট এবং নিরাপত্তা জোরদার হওয়ায় দিন-রাত সবাই এখানে সময় কাটাতে পারে। নদী আর আকাশের অসীম বিস্তার এখানে দাঁড়িয়ে মনে করায় আমরা সমুদ্রের ধারে।

স্থানীয় প্রশাসন সৈকতের পরিবেশ রক্ষা ও পর্যটকদের নিরাপত্তার ওপর নজর রাখছে। পরিকল্পিত উদ্যোগ, সঠিক ব্যবস্থাপনা ও পরিচর্যা থাকলেই আলেকজান্ডার মেঘনা বীচ দেশের অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত হতে পারে।