
বগুড়ার মোকামতলা উপজেলার রহবল (মেঘারচর) গ্রামের মাহমুদা আক্তার (ডেইজি) নামের এক নিঃসন্তান নারী অসহায়ত্বের সুযোগ নেয়ে তার মূল্যবান জমি জাল দলিলের মাধ্যমে অন্যের হাতে চলে যাওয়ার অভিযোগ করেছেন।
অভিযোগের মোতাবেক, ২০২০ সালের ৮ সেপ্টেম্বর এবং পরবর্তী সময় দলিল নং ৬১২৮ ও ৭০৬০ অনুযায়ী, ওই জমি আফজাল হোসেনের পুত্র মাস্টার সাহাজুল ইসলাম ও তার সহযোগীদের নামে কবলা লেখা হয়।
দলিল সম্পন্ন হওয়ার পরও মাহমুদা আক্তারকে জমির সমমূল্যের টাকা প্রদান করা হয়নি। বরং টাকা দাবি করলে তাকে ভয়ভীতি ও হুমকির মুখে পড়তে হয়েছে। শেষ সম্বল হারানো এই দম্পতি — মাহমুদা আক্তার ও তার অসুস্থ স্বামী নজরুল সরকার — এখন দিশেহারা হয়ে বিভিন্ন সরকারি ও প্রভাবশালী দপ্তরে ন্যায়সংস্থান চাইতে ঘুরছেন।
স্থানীয়রা বলছেন, বন্দরের মতো গুরুত্বপূর্ণ জমি এমন প্রকাশ্য জালিয়াতির ঘটনা এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভ ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।
সচেতন মহল ও ব্যবসায়ী সম্প্রদায় এই প্রতারণাকে নিন্দনীয় উল্লেখ করেছেন এবং প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন। ভুক্তভোগী দম্পতির দাবী, প্রতারণামূলক দলিল বাতিল করে জমি ও পাওনা টাকা ফিরিয়ে দিতে প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের তৎপরতা জরুরি।
আপনার মতামত লিখুন :