
ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় ঘুমন্ত স্বামীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গুরুতর জখম করার অভিযোগ উঠেছে স্ত্রীর বিরুদ্ধে। সোমবার (২৯ জুন) সকালে পৌরসভার হোগলাডাঙ্গী সদরদী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত অবস্থায় ওই ব্যক্তিকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
আহত হানিফ শেখ (২২) উপজেলার পুখুরিয়া এলাকার রফিক শেখের ছেলে। তিনি পেশায় একজন ব্যবসায়ী। অভিযুক্ত স্ত্রী সুমাইয়া আক্তার (২২) একই এলাকার বাসিন্দা। তবে সম্প্রতি তারা হোগলাডাঙ্গী সদরদী গ্রামের একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় দেড় মাস আগে তারা বদিউজ্জামানের বাড়িতে ভাড়াটিয়া হিসেবে ওঠেন। এরপর থেকেই তাদের মধ্যে প্রায়ই পারিবারিক কলহ লেগে থাকত। রোববার রাতেও স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া হয় বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। অভিযোগ রয়েছে, সোমবার সকালে স্বামী ঘুমিয়ে থাকা অবস্থায় সুমাইয়া আক্তার ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে গুরুতর জখম করেন।
হানিফের চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে তাকে উদ্ধার করেন। পরে তাকে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
ঘটনার পর ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী অভিযুক্ত সুমাইয়া আক্তারকে আটক করে। পরে খবর পেয়ে ভাঙ্গা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে হেফাজতে নিয়ে থানায় নিয়ে যায়। ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে অভিযুক্তকে আটক করা হয়েছে। ঘটনাটি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো মামলা হয়েছে কি না, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত জানায়নি পুলিশ। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
আপনার মতামত লিখুন :