
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করা এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বাড়ানো বর্তমান সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার। এ লক্ষ্যে ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ গড়ে তোলা হচ্ছে এবং বিনিয়োগকারীদের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি করা হয়েছে। তিনি মালয়েশিয়ার ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের সম্ভাবনা কাজে লাগানোর আহ্বান জানান।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার সম্পর্ক দীর্ঘদিনের আস্থার ভিত্তিতে গড়ে উঠেছে। দুই দেশের পারস্পরিক মূল্যবোধ, সহযোগিতা এবং জনগণের মধ্যে সম্পর্ক এই বন্ধুত্বকে আরও শক্তিশালী করেছে।
প্রধানমন্ত্রী অতীত স্মৃতিচারণ করে বলেন, প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ১৯৭৯ সালের মালয়েশিয়া সফর দুই দেশের রাজনৈতিক ও শ্রম সহযোগিতার ভিত্তি স্থাপন করেছিল। পরবর্তীতে ১৯৯৩ সালে বেগম খালেদা জিয়ার সফর দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও গভীর করে।
তিনি মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী, সরকার ও জনগণের আতিথেয়তার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
আলোচনায় দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য, বিনিয়োগ, আইসিটি, জ্বালানি, অবকাঠামো, জনশক্তি, হালাল শিল্প, কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ, শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন, প্রতিরক্ষা, ডিজিটাল অর্থনীতি ও সেমিকন্ডাক্টরসহ বিভিন্ন খাত গুরুত্ব পায়।
তিনি জানান, দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগ ও সহযোগিতা বাড়াতে যৌথ কমিশন এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক আরও সক্রিয় করা হবে। পাশাপাশি বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (FTA) নিয়ে আলোচনা এগিয়ে নেওয়ার বিষয়েও সম্মতি হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, মালয়েশিয়ায় অবস্থানরত বাংলাদেশি শ্রমিক, শিক্ষার্থী ও পেশাজীবীরা দুই দেশের সম্পর্কের গুরুত্বপূর্ণ সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করছেন এবং তারা অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন।
আপনার মতামত লিখুন :