
বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে মরক্কোর বিপক্ষে ড্র করে হতাশা নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছিল ব্রাজিলকে। তবে দ্বিতীয় ম্যাচে দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন করেছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। হাইতিকে ৩-০ গোলের ব্যবধানে হারিয়ে টুর্নামেন্টে প্রথম জয় তুলে নিয়েছে সেলেসাওরা।
শনিবার (২০ জুন) বাংলাদেশ সময় সকালে অনুষ্ঠিত ম্যাচে ব্রাজিলের হয়ে জোড়া গোল করেন মাতেউস কুনহা। অপর গোলটি করেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে ব্রাজিল। ১২ মিনিটে রাফিনিয়া বল জালে জড়ালেও অফসাইডের কারণে গোলটি বাতিল করেন রেফারি। ২২ মিনিটে গোলের সহজ সুযোগ পেয়েও তা কাজে লাগাতে ব্যর্থ হন বার্সেলোনার এই ফরোয়ার্ড।
তবে ২৩ মিনিটেই এগিয়ে যায় ব্রাজিল। ভিনিসিয়ুসের শট হাইতির গোলরক্ষক জন প্লাসিড প্রতিহত করলেও ফিরতি বলে জটলার মধ্যে থেকে গোল করেন মাতেউস কুনহা। ৩৬ মিনিটে আবারও গোল করে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন কুনহা। ভিনিসিয়ুসের দারুণ পাস থেকে বাঁ পায়ের নিখুঁত শটে বল জালে পাঠান তিনি। ম্যাচে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করে দলের জয় অনেকটাই নিশ্চিত করেন এই ফরোয়ার্ড।
প্রথমার্ধের শেষ দিকে চোটের কারণে মাঠ ছাড়তে হয় রাফিনিয়াকে। তার পরিবর্তে নামেন রায়ান। বিরতির ঠিক আগে, যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে ব্রাজিলের তৃতীয় গোলটি করেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। একক প্রচেষ্টায় গোলরক্ষককে পরাস্ত করে দলের ব্যবধান ৩-০ করেন রিয়াল মাদ্রিদের এই তারকা উইঙ্গার।
দ্বিতীয়ার্ধে বেশ কয়েকটি পরিবর্তন এনে বেঞ্চের খেলোয়াড়দের সুযোগ দেন কোচ কার্লো আনচেলত্তি। ব্রাজিল আরও কয়েকটি আক্রমণ গড়ে তুললেও আর গোলের দেখা পায়নি। এন্দ্রিক একবার বল জালে পাঠালেও অফসাইডের কারণে সেটিও বাতিল হয়।
শেষ পর্যন্ত ৩-০ গোলের দাপুটে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে ব্রাজিল। প্রথম ম্যাচের হতাশা কাটিয়ে এই জয় দলটির আত্মবিশ্বাস অনেকটাই বাড়িয়ে দেবে বলে মনে করছেন ফুটবল বিশ্লেষকরা।
আপনার মতামত লিখুন :