কালিগঞ্জে জলবায়ু বান্ধব সবজি ও ফুলের ভ্যালু চেইন শক্তিশালীকরণ প্রকল্পের অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত


দিপংকর বর্মন: প্রকাশের সময় : জুন ১৬, ২০২৬, ৭:১৯ অপরাহ্ণ
কালিগঞ্জে জলবায়ু বান্ধব সবজি ও ফুলের ভ্যালু চেইন শক্তিশালীকরণ প্রকল্পের অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত
হেইফার ইন্টারন্যাশনালের সহযোগিতায় এবং রুরাল রিকনস্ট্রাকশন ফাউন্ডেশন (আরআরএফ)-এর বাস্তবায়নে “জলবায়ু বান্ধব সবজি ও ফুলের ভ্যালু চেইন শক্তিশালীকরণ প্রকল্প”-এর আওতায় এক অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে|
মঙ্গলবার (১৬ জুন) ঝিনাইদহের কালিগঞ্জ উপজেলা পরিষদ হলরুমে আয়োজিত এ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কালিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেজওয়ানা নাহিদ|
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাহবুব আলম রনি, উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা হাসান সাজ্জাদ, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা জিন্নু রাইন, জেলা সিনিয়র ˆবজ্ঞানিক কর্মকর্তা রাশিদুল ইসলাম, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা তাসলিমা বেগম, কৃষি বিপণন কর্মকর্তা ইসরাত জাহান মুন এবং সমাজসেবা সহকারী কর্মকর্তা তরিকুল ইসলাম| এছাড়া উপস্থিত ছিলেন রুরাল রিকনস্ট্রাকশন ফাউন্ডেশনের সিনিয়র সহকারী পরিচালক কৃষিবিদ ড. অসিত বরণ মন্ডল ও হেইফার ইন্টারন্যাশনালের প্রোগ্রাম অফিসার আব্দুর রহিম|
সভায় উপজেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, সাতটি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান, কৃষক, কৃষি উদ্যোক্তা, ব্যাংক প্রতিনিধি এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনরা অংশগ্রহণ করেন|
অনুষ্ঠানে প্রকল্পের লক্ষ্য, উদ্দেশ্য, কার্যক্রম ও প্রত্যাশিত ফলাফল সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরা হয়| বক্তারা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় আধুনিক ও টেকসই কৃষি প্রযুক্তির প্রসার, নিরাপদ ও লাভজনক ফুল ও সবজি উৎপাদন বৃদ্ধি এবং কৃষকদের দক্ষতা উন্নয়নে এ প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে|
প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেজওয়ানা নাহিদ বলেন, “জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কৃষি খাতে উদ্ভাবনী উদ্যোগ গ্রহণের বিকল্প নেই| এ প্রকল্প কৃষকদের সক্ষমতা বৃদ্ধি, উৎপাদনশীলতা উন্নয়ন এবং অর্থনৈতিকভাবে ¯^াবল¤^ী হতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে| সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রমের সঙ্গে সমš^য় রেখে প্রকল্পের সফল বাস্তবায়নের মাধ্যমে কৃষকদের প্রান্তিক চাহিদা পূরণ ও টেকসই কৃষি উন্নয়ন নিশ্চিত করা সম্ভব হবে|”
বক্তারা প্রকল্পের সফল বাস্তবায়নে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, কৃষক ও উদ্যোক্তাদের সমšি^ত অংশগ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন| একই সঙ্গে জলবায়ু সহিষ্ণু কৃষি ব্যবস্থার মাধ্যমে কৃষকদের আয় বৃদ্ধি, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং স্থানীয় অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন|