প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাকে দিল্লিতে প্রবেশে বাধা ভারতের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনারকে তলব


অনলাইন ডেস্ক প্রকাশের সময় : জুন ১৫, ২০২৬, ৬:৩৪ অপরাহ্ণ
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাকে দিল্লিতে প্রবেশে বাধা ভারতের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনারকে তলব

প্রধানমন্ত্রীর পলিসি ও স্ট্র্যাটেজি এবং তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান-এর সঙ্গে দিল্লিতে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার প্রেক্ষিতে ঢাকায় ভারতের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার পবন বাঢ়াকে তলব করেছে বাংলাদেশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

সোমবার (১৫ জুন) দুপুর ২টার পর রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় তাকে ডেকে পাঠানো হয়। এ সময় দিল্লি বিমানবন্দরে রোববার ঘটে যাওয়া ঘটনার বিষয়ে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে তীব্র অসন্তোষ জানানো হয়। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমানের সঙ্গে দিল্লি বিমানবন্দরে যে ঘটনা ঘটেছে, তা নিয়ে বাংলাদেশ সরকার গভীর অসন্তোষ প্রকাশ করেছে এবং বিষয়টি কূটনৈতিকভাবে ভারতের পক্ষকে জানানো হয়েছে।

সূত্র আরও জানায়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক (দক্ষিণ এশিয়া অনুবিভাগ) ইশরাত জাহান ভারতীয় কূটনীতিককে আনুষ্ঠানিকভাবে তলব করেন এবং ঘটনার ব্যাখ্যা চান। এর আগে সোমবার দুপুরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান ঘটনাটিকে ‘অনাকাঙ্ক্ষিত ও দুঃখজনক’ বলে মন্তব্য করেন। তিনি জানান, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে।

একই বিষয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেন, দিল্লির ঘটনার পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রয়োজন হলে যথাযথ কূটনৈতিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে। জানা যায়, দিল্লিতে সোমবার শুরু হওয়া ইন্ডিয়ান ওশান রিম অ্যাসোসিয়েশন (আইওআরএ)-এর জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের দুই দিনের বৈঠকে অংশ নিতে রোববার সন্ধ্যায় ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান জাহেদ উর রহমান। ওই বৈঠকে তিনি বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেওয়ার কথা ছিল।

কূটনৈতিক চিঠির মাধ্যমে আগেই বিষয়টি জানানো হলেও রোববার সন্ধ্যায় ভারতীয় ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ তাকে প্রবেশে বাধা দেয়। পরে উচ্চপর্যায়ের নির্দেশে তাকে অনুমতি দেওয়া হলেও তিনি দিল্লিতে না গিয়ে কলম্বো হয়ে ঢাকায় ফিরে আসেন এবং সোমবার দুপুরে দেশে পৌঁছান। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জানান, বাংলাদেশ হাইকমিশন গত শুক্রবার আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে বিষয়টি অবহিত করেছিল। ঘটনার পর কূটনৈতিক অঙ্গনে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছে এবং দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে।