২৮ বছর পর বিশ্বকাপে স্কটল্যান্ড, জয় দিয়ে উড়ন্ত শুরু


অনলাইন ডেস্ক প্রকাশের সময় : জুন ১৪, ২০২৬, ১১:৪১ পূর্বাহ্ণ
২৮ বছর পর বিশ্বকাপে স্কটল্যান্ড, জয় দিয়ে উড়ন্ত শুরু

দীর্ঘ ২৮ বছর পর বিশ্বকাপের মঞ্চে ফিরে স্বপ্নের সূচনা করেছে স্কটল্যান্ড। ১৯৯৮ সালের পর প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে খেলা ইউরোপের দলটি নিজেদের উদ্বোধনী ম্যাচে হাইতিকে ১-০ গোলে হারিয়ে দারুণভাবে অভিযান শুরু করেছে। দলের জয়ের নায়ক অধিনায়ক জন ম্যাকগিন, যার একমাত্র গোলেই নিশ্চিত হয় মূল্যবান তিন পয়েন্ট।

ম্যাচের শুরু থেকেই দুই দলই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে। তবে সুযোগ কাজে লাগিয়ে এগিয়ে যায় স্কটল্যান্ড। প্রথমার্ধে জন ম্যাকগিনের করা গোলই শেষ পর্যন্ত ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে। জাতীয় দলের জার্সিতে এটি ম্যাকগিনের ২১তম গোল হলেও গুরুত্বের বিচারে এটি তার ক্যারিয়ারের অন্যতম স্মরণীয় অর্জন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

গোল হজমের পর ম্যাচে ফেরার জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে হাইতি। বিশেষ করে ডান প্রান্তে লুইসিয়াস ডিডসনের গতিময় আক্রমণ স্কটিশ রক্ষণভাগকে বেশ কয়েকবার চাপে ফেলে। ৩৪ মিনিটে গোলরক্ষক অ্যাঙ্গাস গানের ভুল থেকে সমতায় ফেরার সুযোগ পেয়েছিল হাইতি, তবে জ্যাক হেন্ড্রির দৃঢ়তায় সে যাত্রায় রক্ষা পায় স্কটল্যান্ড।

প্রথমার্ধের শেষ দিকে জ্যাঁ-রিকনার বেলগার্দে ও উইলসন ইসিদরের সুযোগগুলোও কাজে লাগাতে পারেনি হাইতি। অন্যদিকে স্কটল্যান্ডের হয়ে বেন গ্যানন-ডোক ও চে অ্যাডামস কয়েকটি সম্ভাবনাময় আক্রমণ গড়লেও ব্যবধান বাড়ানো সম্ভব হয়নি।

বিরতির পর আরও আক্রমণাত্মক হয়ে মাঠে নামে হাইতি। দ্বিতীয়ার্ধের বেশিরভাগ সময়ই তারা বলের দখল ও আক্রমণে এগিয়ে ছিল। একের পর এক আক্রমণে স্কটিশ রক্ষণকে ব্যস্ত রাখলেও গোলের দেখা পায়নি ক্যারিবীয় প্রতিনিধিরা।

ম্যাচের শেষ দিকে উত্তেজনা চরমে ওঠে। ৮৪ মিনিটে বেলগার্দের ক্রস থেকে পিয়েরোর হেড অল্পের জন্য বাইরে চলে গেলে স্বস্তি ফিরে পায় স্কটিশ শিবির। এরপর ৮৬ মিনিটে স্কট ম্যাকটমিনের সম্ভাবনাময় আক্রমণ ঠেকিয়ে দেন হাইতির ডিফেন্ডার হ্যানেস ডেলক্রোয়া।

শেষ পর্যন্ত জন ম্যাকগিনের প্রথমার্ধের একমাত্র গোলই ব্যবধান গড়ে দেয়। এর মাধ্যমে ১৯৯০ সালের ১৬ জুন সুইডেনকে হারানোর পর প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে কোনো ম্যাচে জয় পেল স্কটল্যান্ড। ১-০ গোলের এই জয়ে গ্রুপ ‘সি’-এর শীর্ষেও উঠে এসেছে স্টিভ ক্লার্কের দল, যা তাদের পরবর্তী ম্যাচগুলোর জন্য আত্মবিশ্বাস আরও বাড়িয়ে দেবে।