
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, শান্তিরক্ষীদের আত্মত্যাগ প্রমাণ করে যে তারা শুধু মাতৃভূমির স্বাধীনতা রক্ষায় নয়, বরং জাতিসংঘের পতাকাতলে বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায়ও দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।
বুধবার (১০ জুন) সকাল সাড়ে ১০টায় ঢাকা সেনানিবাসের সেনাকুঞ্জে আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশ বর্তমানে অন্যতম সর্বোচ্চ শান্তিরক্ষী প্রেরণকারী দেশ হিসেবে অবস্থান ধরে রেখেছে। বিশ্বের বিভিন্ন সংঘাতপূর্ণ ও সংকটময় অঞ্চলে বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীরা দক্ষতা, পেশাদারিত্ব ও মানবিক দায়িত্ববোধ নিয়ে কাজ করে দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করছেন।
তিনি বিশেষভাবে আন্তর্জাতিক শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশি নারী শান্তিরক্ষীদের ভূমিকার প্রশংসা করেন। তার মতে, নারী শান্তিরক্ষীদের অংশগ্রহণ ও সফলতা শুধু শান্তিরক্ষা কার্যক্রমকেই সমৃদ্ধ করেনি, বরং এটি নারী ক্ষমতায়ন ও জাতীয় উন্নয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত হিসেবে বিশ্বে পরিচিতি পেয়েছে।
এর আগে দিবসটি উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের পেশাদারিত্ব, দক্ষতা ও মানবিক মূল্যবোধের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, সংঘাতময় অঞ্চলে জীবন ঝুঁকি নিয়ে দায়িত্ব পালন করা শান্তিরক্ষীরা মানবতার সেবায় অসামান্য অবদান রেখে চলেছেন।
অনুষ্ঠানে শান্তিরক্ষা মিশনে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয় এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের সম্মাননা প্রদান করা হয় বলে জানা গেছে।
আপনার মতামত লিখুন :