সকল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ১০১ শয্যায় উন্নীত করবে সরকার: ডা. জাহেদ উর রহমান


অনলাইন ডেস্ক প্রকাশের সময় : জুন ৯, ২০২৬, ৬:৪৫ অপরাহ্ণ
সকল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ১০১ শয্যায় উন্নীত করবে সরকার: ডা. জাহেদ উর রহমান

দেশের তৃণমূল পর্যায়ে মানসম্মত চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে বিদ্যমান সকল ৩১ শয্যা ও ৫০ শয্যাবিশিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ১০১ শয্যায় উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। মঙ্গলবার (৯ জুন) সচিবালয়ের তথ্য অধিদফতরের (পিআইডি) সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সাপ্তাহিক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

তিনি জানান, বর্তমানে দেশের মাত্র ৮টি উপজেলায় ১০০ শয্যার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চালু রয়েছে। বাকিগুলোকে ধাপে ধাপে ১০১ শয্যায় উন্নীত করার মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবার পরিধি ও মান বাড়ানো হবে।

প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি আরও জানান, জনগণের দোরগোড়ায় জরুরি চিকিৎসা সেবা দ্রুত পৌঁছে দিতে দেশীয় প্রযুক্তিতে বিদ্যুৎচালিত অ্যাম্বুলেন্স তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) কারিগরি সহায়তায় এসব অ্যাম্বুলেন্স তৈরি করা হবে। প্রাথমিকভাবে একটি উপজেলাকে মডেল হিসেবে নিয়ে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে।

ডেঙ্গু পরিস্থিতি বিবেচনায় ‘ডেঙ্গুর ক্লিনিক্যাল ম্যানেজমেন্ট জাতীয় প্রশিক্ষণ কার্যক্রম’ও শুরু করা হয়েছে। বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম ধাপে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আসা চিকিৎসকদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। পরে বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়েও এ প্রশিক্ষণ সম্প্রসারণ করা হবে। এছাড়া স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নের পাশাপাশি বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা নিয়েও বিভিন্ন সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয় ব্রিফিংয়ে। এলপিজি গ্যাসের ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম কমিয়ে ১ হাজার ৮৮৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। নিম্ন আয়ের গ্রাহকদের জন্য বিদ্যুতের বর্ধিত মূল্যহার আপাতত স্থগিত রাখা হয়েছে।

শিক্ষা ও কৃষি খাতেও বিভিন্ন অগ্রগতির কথা তুলে ধরা হয়। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যক্রমে কর্মমুখী শিক্ষা যুক্ত করতে ১২ হাজার শিক্ষকের প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের গোল্ডকাপ ফুটবলে ২২ লাখের বেশি শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হয়েছে। এছাড়া ওএমএস কর্মসূচির মাধ্যমে সারাদেশে ১ হাজার ১০০টি কেন্দ্রে ভর্তুকি মূল্যে খাদ্যপণ্য বিক্রি চলছে এবং বর্তমানে সরকারি খাদ্যগুদামে ১৮ লাখ ৭৪ হাজার মেট্রিক টনের বেশি খাদ্যশস্য মজুত রয়েছে। ঈদুল আজহায় দেশীয় খামারিদের পশু দিয়েই শতভাগ চাহিদা পূরণ হয়েছে বলেও জানানো হয়।