টিকে থাকতে উদ্ভাবনী ও টেকসই উৎপাদন পদ্ধতি গ্রহণ জরুরি: প্রধানমন্ত্রী


অনলাইন ডেস্ক প্রকাশের সময় : জুন ৮, ২০২৬, ৭:৪৮ অপরাহ্ণ
টিকে থাকতে উদ্ভাবনী ও টেকসই উৎপাদন পদ্ধতি গ্রহণ জরুরি: প্রধানমন্ত্রী

আজকের প্রতিযোগিতামূলক বৈশ্বিক বাজারে টিকে থাকতে উদ্ভাবনী ও টেকসই উৎপাদন পদ্ধতি গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, পণ্যের গুণগত মানের পাশাপাশি উৎপাদনের নৈতিকতা, সামাজিক দায়বদ্ধতা এবং পরিবেশগত প্রভাবও এখন আন্তর্জাতিক বাজারে গুরুত্বপূর্ণ বিবেচ্য বিষয় হয়ে উঠেছে।

সোমবার (৮ জুন) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে ‘বিশ্ব অ্যাক্রেডিটেশন দিবস ২০২৬’ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ্ব অ্যাক্রেডিটেশন দিবস প্রতিবছর পণ্য ও সেবার নিরাপত্তা, গুণগত মান এবং আস্থার গুরুত্ব নতুন করে স্মরণ করিয়ে দেয়। ইন্টারন্যাশনাল অ্যাক্রেডিটেশন ফোরাম (আইএএফ) এবং ইন্টারন্যাশনাল ল্যাবরেটরি অ্যাক্রেডিটেশন কো-অপারেশন (আইএলএসি) প্রতিবছর ৯ জুন দিবসটি পালন করে।

বাণীতে তিনি উল্লেখ করেন, এ বছরের প্রতিপাদ্য ‘Innovation, Trust and Sustainability: The Power of Accreditation’ অত্যন্ত সময়োপযোগী। বর্তমান বিশ্বে উদ্ভাবন, আস্থা এবং টেকসই উন্নয়ন একে অপরের সঙ্গে নিবিড়ভাবে সম্পর্কযুক্ত এবং অর্থনৈতিক অগ্রগতির অন্যতম ভিত্তি হিসেবে কাজ করছে।

তারেক রহমান বলেন, শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন বোর্ড (বিএবি) কর্তৃক দিবসটি উদযাপনের উদ্যোগ প্রশংসনীয়। তিনি জানান, বর্তমানে ভোক্তারা আগের চেয়ে অনেক বেশি সচেতন। ফলে শুধু পণ্যের মান নয়, উৎপাদন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা, সামাজিক দায়িত্ববোধ এবং পরিবেশবান্ধব দিকগুলোও গুরুত্ব পাচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে দেশীয় শিল্পখাতকে উদ্ভাবনী ও টেকসই উৎপাদন ব্যবস্থার দিকে এগিয়ে যেতে হবে। এ ক্ষেত্রে অ্যাক্রেডিটেশন একটি কার্যকর ও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত মান নিশ্চিতকরণ ব্যবস্থা হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

প্রধানমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন বোর্ড এ পর্যন্ত ১৬৮টি সরকারি, বেসরকারি ও বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানকে অ্যাক্রেডিটেশন সনদ প্রদান করেছে। বর্তমানে পাঁচটি ক্ষেত্রভিত্তিক স্কিমের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ করে এ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

বাণীর শেষাংশে তিনি আশা প্রকাশ করেন, বিশ্ব অ্যাক্রেডিটেশন দিবস ২০২৬ দেশের মান অবকাঠামোকে আরও শক্তিশালী করবে এবং উদ্ভাবন ও টেকসই উন্নয়নের অগ্রযাত্রাকে আরও বেগবান করবে। একই সঙ্গে তিনি দিবসটির সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।