নবম পে স্কেল বাস্তবায়ন নিয়ে পর্যবেক্ষণ দিল টিআইবি


অনলাইন ডেস্ক প্রকাশের সময় : জুন ৭, ২০২৬, ৬:১৪ অপরাহ্ণ
নবম পে স্কেল বাস্তবায়ন নিয়ে পর্যবেক্ষণ দিল টিআইবি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন-পরবর্তী সরকারের ১০০ দিন পূর্ণ হওয়ার পর সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও দুর্নীতিবিরোধী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন নিয়ে একটি পর্যবেক্ষণমূলক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। প্রতিবেদনে নবম জাতীয় পে-স্কেল বাস্তবায়নের জন্য প্রায় ৩৭ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দের পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

রোববার (৭ জুন) বেলা ১১টায় রাজধানীর ধানমন্ডির মাইডাস সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। টিআইবির পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, সরকার আগামী ১ জুলাই থেকে তিন ধাপে নবম জাতীয় পে-স্কেল বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। নতুন কাঠামোর মাধ্যমে বেতন ও পেনশন বৃদ্ধি, নিম্ন ও মধ্যম স্তরের কর্মচারীদের অধিক সুবিধা প্রদান এবং গ্রেড বৈষম্য কমানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

সরকারি সূত্রে জানা গেছে, নতুন বেতন কাঠামো একসঙ্গে কার্যকর না করে ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে। প্রথম ধাপে আগামী জুলাই মাস থেকে সরকারি চাকরিজীবীরা নতুন বেসিক বেতনের অর্ধেক অংশ পাবেন। এরপর ২০২৭-২৮ অর্থবছরে বাকি অর্ধেক বেসিক কার্যকর করা হবে। পরবর্তীতে ২০২৮-২৯ অর্থবছরে নতুন পে-স্কেলের আওতায় নির্ধারিত বিভিন্ন ভাতা ও সুবিধা ধাপে ধাপে চালু করা হবে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, পে-স্কেল বাস্তবায়নের জন্য প্রায় ৩৭ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দের পরিকল্পনা রয়েছে, যা সরকারের ব্যয় কাঠামোর ওপর উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে।

এদিকে আজ থেকে বাজেট অধিবেশন শুরু হলেও প্রথম দিনেই পে-স্কেল বরাদ্দ চূড়ান্ত হচ্ছে না বলে জানা গেছে। আগামী ১১ জুন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট সংসদে উপস্থাপন করবেন। ওই দিনই পে-স্কেল সংক্রান্ত বরাদ্দ ও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে ইঙ্গিত মিলেছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়িত হলে সরকারি চাকরিজীবীদের আয় কাঠামোয় বড় পরিবর্তন আসবে, তবে একই সঙ্গে বাজেট ব্যবস্থাপনায় চাপও বাড়তে পারে।