বাঁশখালীতে আমরা ভাদালিয়াবাসীর উদ্যোগে ইসলামী মহা সম্মেলন অনুষ্ঠিত


বাঁশখালী প্রতিনিধি: মোঃ ফখরুল ইসলাম প্রকাশের সময় : জুন ৫, ২০২৬, ৭:৩৩ অপরাহ্ণ
বাঁশখালীতে আমরা ভাদালিয়াবাসীর উদ্যোগে ইসলামী মহা সম্মেলন অনুষ্ঠিত

চট্টগ্রামের বাঁশখালী পৌরসভার উত্তর জলদির ঐতিহ্যবাহী ভাদালিয়া এলাকায় “আমরা ভাদালিয়াবাসী”-এর উদ্যোগে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে এক বর্ণাঢ্য ইসলামী মহা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ধর্মীয় মূল্যবোধ জাগ্রত করা, ইসলামের সুমহান আদর্শ প্রচার এবং উলামায়ে কেরামের দিকনির্দেশনা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে এ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

গত বৃহস্পতিবার  ভাদালিয়া বড় মাদ্রাসা মাঠে অনুষ্ঠিত এ মহাসম্মেলনে প্রধান মেহমান হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আল্লামা খলিল আহমদ কুরাইশী (দা.বা.), মহাপরিচালক, হাটহাজারী আরবি বিশ্ববিদ্যালয়। প্রধান আলোচক হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য প্রদান করেন বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ মুফতি মাহমুদুল হাছান গুনবী (ঢাকা)।

ভাদালিয়ার প্রবীণ আলেম মাওলানা শাহ নুরুল হক আদীব এবং ভাদালিয়া বড় মাদ্রাসার পরিচালক মাওলানা খলিলুর রহমান শওক-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আগত খ্যাতিমান আলেমগণ ইসলামী জীবনব্যবস্থা, নৈতিকতা, মানবিক মূল্যবোধ এবং সমসাময়িক নানা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।

উক্ত সম্মেলনে আরও তাকরীর করেন মাওলানা আব্দুল হক হক্কানি (কক্সবাজার), মাওলানা গাজী ইয়াকুব ওসমানী (ব্রাহ্মণবাড়িয়া), মুফতি হাবিবুর রহমান চাঁটগামী, হাফেজ মাওলানা শহিদুল্লাহ, মাওলানা জামাল উদ্দীন, মাওলানা আব্দুস সাত্তার ইসলামাবাদী, মাওলানা মুফিজুর রহমান কাওসারী, মুফতি মাওলানা সাঈদুল হক, মাওলানা মুহছেন, মাওলানা হাফেজ লোকমান হাকিম এবং জাতীয় দৈনিক ভোরের চেতনা পত্রিকার বাঁশখালী উপজেলা প্রতিনিধি সাংবাদিক মাওলানা ফখরুল ইসলাম।

সম্মেলনে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, ধর্মপ্রাণ মুসল্লি, যুবসমাজসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার হাজারো মানুষ অংশগ্রহণ করেন। বক্তারা ইসলামের সঠিক শিক্ষা গ্রহণ, সমাজে শান্তি-সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠা, মানবিক মূল্যবোধ চর্চা এবং নৈতিক অবক্ষয় রোধে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানের শেষপর্যায়ে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করা হয়। মহাসম্মেলনকে কেন্দ্র করে পুরো ভাদালিয়া এলাকায় এক উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। উপস্থিত জনতা আয়োজকদের এ মহতী উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং ভবিষ্যতেও এমন ধর্মীয় ও সামাজিক আয়োজন অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।