
গণ-অভ্যুত্থানের পর সমন্বয়কদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েন হান্নান মাসউদ—এমন মন্তব্য করেছেন বিএনপি নেতা মুহাম্মদ রাশেদ খান। বুধবার (৩ জুন) সকাল ৯টা ৮ মিনিটে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ অভিযোগ তোলেন।
ফেসবুক পোস্টে রাশেদ খান দাবি করেন, গণ-অভ্যুত্থানের পর হান্নান মাসউদের বিভিন্ন রাজনৈতিক যোগাযোগ ও বৈঠক প্রশ্নবিদ্ধ ছিল। তিনি লেখেন, আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতার সঙ্গে তার একাধিক বৈঠক হয়েছে এবং এসব বৈঠকে আর্থিক লেনদেন নিয়ে কথাবার্তা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন।

পোস্টে আরও বলা হয়, একটি নির্দিষ্ট হোটেলে নিয়মিত বৈঠকের পাশাপাশি কিছু রাজনৈতিক ও আর্থিক সমঝোতার কথাও আলোচনায় আসে। তিনি দাবি করেন, এক এমপিকে ঘিরে কোটি টাকার লেনদেনের আলোচনার কথাও শোনা গেছে।
রাশেদ খানের ভাষ্য অনুযায়ী, হান্নান মাসউদের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত আবদুল গাফফার জিসান এসব ঘটনার কিছু অংশের “সাক্ষী” ছিলেন এবং আন্দোলনের সময় তিনি সমন্বয়কদের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। পোস্টে জিসানের রাজনৈতিক পরিচয় ও তার ভূমিকা নিয়েও বিস্তারিত দাবি করা হয়।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, আন্দোলনের পরবর্তী সময়ে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে কিছু সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক নেতাদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার ঘটনাও ঘটে থাকতে পারে।
তবে এসব অভিযোগের পক্ষে কোনো স্বাধীন বা যাচাইকৃত তথ্য তিনি তার পোস্টে উল্লেখ করেননি।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত হান্নান মাসউদ বা তার পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
উল্লেখ্য, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এ ধরনের রাজনৈতিক বক্তব্য ঘিরে এর আগেও নানা বিতর্ক ও পাল্টাপাল্টি অবস্থান তৈরি হয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এসব অভিযোগের সত্যতা যাচাই ছাড়া মন্তব্যকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হিসেবে নেওয়া উচিত নয়।
আপনার মতামত লিখুন :