
ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় সূত্রের দাবি, কুষ্টিয়া থেকে পৃথক দুটি গাড়িতে করে জীবননগরে যাচ্ছিলেন সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজা ও তার পরিবারের সদস্যরা। পথে হাসাদাহ বাজার এলাকায় পৌঁছালে একটি ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক তাদের বহনকারী মাইক্রোবাসের সামনে এসে দাঁড়ায়। বারবার হর্ন দেওয়ার পরও রাস্তা ফাঁকা না হওয়ায় গাড়ির চালক সাদ্দাম হোসেন বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে যান।
অভিযোগ রয়েছে, এ সময় স্থানীয় বাসিন্দা মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক ও তার দুই ছেলে শাহরিয়ার এবং রিমন সেখানে এসে চালকের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন এবং একপর্যায়ে তাকে মারধর করেন। পরিস্থিতি সামাল দিতে আবু বক্কর গাড়ি থেকে নেমে নিজের পরিচয় দিলে হামলাকারীরা তার ওপরও চড়াও হয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন বলে দাবি করা হয়েছে।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, সংঘর্ষের একপর্যায়ে এমপির স্ত্রী গাড়ি থেকে নেমে আহতদের রক্ষার চেষ্টা করলে তাকেও শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয়। পাশাপাশি সংসদ সদস্যকে নিয়েও আপত্তিকর মন্তব্য ও গালিগালাজ করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
ঘটনার খবর দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পরে জীবননগর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অভিযুক্তরা এলাকা ছেড়ে চলে যান বলে জানা গেছে।
জীবননগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোলায়মান সেখ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, খবর পাওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং ভুক্তভোগীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে। বর্তমানে সংসদ সদস্য ও তার পরিবারের সদস্যরা নিরাপদে রয়েছেন। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে এবং অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক দল কাজ করছে।
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার প্রকৃত কারণ ও সংশ্লিষ্টদের ভূমিকা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
আপনার মতামত লিখুন :