
বিমান সদর দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ২ জুন থেকে ১১ জুন পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত কুতুবদিয়া ফায়ারিং রেঞ্জ ভিজিডি-২ এবং কক্সবাজার ফায়ারিং রেঞ্জ ভিজিডি-৪৩ এলাকায় যুদ্ধবিমানের তাজা গোলাবর্ষণ প্রশিক্ষণ পরিচালিত হবে। সরকারি ছুটির দিনগুলোতেও এই মহড়া অব্যাহত থাকবে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, কুতুবদিয়ার ভিজিডি-২ ফায়ারিং রেঞ্জের বিপজ্জনক উচ্চতা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৩০ হাজার ফুট এবং কক্সবাজারের ভিজিডি-৪৩ রেঞ্জের বিপজ্জনক উচ্চতা ২৬ হাজার ফুট পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে। এ কারণে মহড়াকালীন সময়ে সংশ্লিষ্ট আকাশসীমা ও জলসীমায় চলাচলকারীদের বাড়তি সতর্কতা অবলম্বনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বিমান বাহিনী জানিয়েছে, প্রশিক্ষণ চলাকালে বিমান, জাহাজ, ট্রলার, মাছ ধরার নৌকা এবং অন্যান্য ছোট নৌযানকে গোলাবর্ষণের নির্ধারিত এলাকা এড়িয়ে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে চলাচল করতে হবে। একইসঙ্গে কুতুবদিয়া দ্বীপ সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দাদেরও সতর্ক থাকার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।
জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিমান সদর দপ্তর বিশেষ প্রচার কার্যক্রম পরিচালনার উদ্যোগ নিয়েছে। এর অংশ হিসেবে বাংলাদেশ টেলিভিশনের ঢাকা ও চট্টগ্রাম কেন্দ্রসহ বিভিন্ন বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলকে সতর্কতামূলক ঘোষণা প্রচারের অনুরোধ জানানো হয়েছে।
বিমান বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সোমবার (১ জুন) থেকে ১১ জুন পর্যন্ত বাংলা, ইংরেজি ও স্থানীয় ভাষার সংবাদ সম্প্রচারের আগে প্রতিদিন অন্তত দুইবার বিপজ্জনক এলাকার মানচিত্রসহ সতর্কবার্তা প্রচারের অনুরোধ করা হয়েছে, যাতে সাধারণ মানুষ ও নৌযান চালকেরা আগাম সতর্ক থাকতে পারেন।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ মহড়ার সময় সবাইকে নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে, যাতে কোনো ধরনের দুর্ঘটনা বা অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির সৃষ্টি না হয়।
আপনার মতামত লিখুন :