
৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকীর দিনে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের জীবন ও নেতৃত্বের ২০টি গুরুত্বপূর্ণ অর্জনের কথা তুলে ধরেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপদেষ্টা মাহদী আমিন। শনিবার (৩০ মে) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে তিনি “বাংলাদেশের রূপান্তরে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ২০টি ঐতিহাসিক মাইলফলক” শিরোনামের একটি স্ট্যাটাস দেন।
স্ট্যাটাসে মাহদী আমিন লেখেন, যে কোনো একক অর্জন থাকলেও একজন রাষ্ট্রপতিকে সফল বলা যায়, আর শহীদ জিয়াউর রহমান এমন একজন নেতা ছিলেন যিনি একাধিক ক্ষেত্রে দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। তার অবদানের ক্ষেত্র বিশ্ব ইতিহাসে বিরল।
মাহদী আমিন তুলে ধরেন শহীদ প্রেসিডেন্টের এই ২০টি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক—
১. বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা ও মুক্তিযুদ্ধ শুরু করার আহ্বান।
২. মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর কমান্ডার এবং ‘বীর উত্তম’ খেতাবপ্রাপ্ত বীরত্বের অধিকারী।
৩. সিপাহী-জনতার অভ্যুত্থানের নেতৃত্বদানকারী এবং সফল সেনাপ্রধান।
৪. দেশের প্রথম গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি।
৫. সমানাধিকার ও স্বাধীনতার সুনিশ্চিতকরণে জাতীয়তাবাদী আদর্শের প্রবক্তা।
৬. বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রতিষ্ঠা ও বাকস্বাধীনতার প্রতিফলন।
৭. সংবিধান সংশোধন ও ইসলামী মূল্যবোধের ধারক।
৮. মুক্তবাজার অর্থনীতি এবং বেসরকারি খাতের বিকাশের প্রবর্তক।
৯. রপ্তানিমুখী গার্মেন্টস শিল্প ও ইপিজেড স্থাপনার পরিকল্পনাকারী।
১০. প্রবাসী জনশক্তি রপ্তানির পথিকৃৎ।
১১. কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি ও খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা নিশ্চিত।
১২. গ্রাম সরকার ও স্থানীয় সরকারের প্রবর্তক।
১৩. ঐতিহাসিক খাল খনন ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির জনক।
১৪. গণশিক্ষা ও বয়স্ক শিক্ষার সম্প্রসারণ।
১৫. নারী ও যুবকদের জন্য দুটি পৃথক মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠা।
১৬. শিশু একাডেমি প্রতিষ্ঠা ও নতুন কুঁড়ি আন্দোলনের প্রবক্তা।
১৭. সার্ক প্রতিষ্ঠায় দক্ষিণ এশিয়ার সহযোগিতার পথিকৃৎ।
১৮. জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে বাংলাদেশের সদস্যপদ অর্জনে ভূমিকা।
১৯. বৈশ্বিক সম্পর্ক স্থাপন ও মধ্যপ্রাচ্য শান্তিতে মধ্যস্থতাকারী।
২০. শক্তিশালী সীমান্ত নীতি ও সাহসী পররাষ্ট্র পদক্ষেপ গ্রহণ।
স্ট্যাটাসের শেষে মাহদী আমিন বলেন, এই অর্জনগুলো কেবল একজন রাষ্ট্রনায়কের সাফল্য নয়, বাংলাদেশের রাষ্ট্রগঠন, উন্নয়ন, গণতন্ত্র, অর্থনীতি ও আন্তর্জাতিক অবস্থানকে সুদৃঢ় করার ইতিহাস। শহীদ জিয়াউর রহমানের চিন্তা, কর্ম ও নেতৃত্ব আজও কোটি কোটি মানুষের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস।
মাহদী আমিন শিক্ষা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে রয়েছেন।
আপনার মতামত লিখুন :