
যুদ্ধ ও সংঘাতপূর্ণ এলাকায় যৌন সহিংসতার অভিযোগের ভিত্তিতে ইসরায়েলকে ‘ব্ল্যাকলিস্ট’ বা কালো তালিকাভুক্ত করেছে জাতিসংঘ। এ ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে তেল আবিব।
বৃহস্পতিবার (২৮ মে) জাতিসংঘে নিযুক্ত ইসরায়েলের রাষ্ট্রদূত ড্যানি ড্যানন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, জাতিসংঘের এই সিদ্ধান্ত ‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ এবং ‘বাস্তবতাবিবর্জিত’। তিনি এ পদক্ষেপের কঠোর সমালোচনা করেন।
জেরুজালেম পোস্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জাতিসংঘের এ সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে সংস্থাটির মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের কার্যালয়ের সঙ্গে সম্পর্ক স্থগিত করেছে ইসরায়েল।
প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে ইসরায়েলি বাহিনীর বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও যৌন সহিংসতার একাধিক অভিযোগ বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা ও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে উঠে আসে। এসব অভিযোগের প্রেক্ষিতেই জাতিসংঘের এ তালিকাভুক্তি করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
প্রথমে জেরুজালেম পোস্ট জানায়, ২০২৬ সালের তালিকায় ইসরায়েলি কারা (আইপিএস) কর্তৃপক্ষকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে এবং আরও কয়েকটি ইসরায়েলি সংস্থা নজরদারিতে রয়েছে।
এ বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে রাষ্ট্রদূত ড্যানি ড্যানন বলেন, জাতিসংঘ ইসরায়েলকে হামাস ও আইএসআইএসের মতো সংগঠনের সঙ্গে একই তালিকায় স্থান দিয়েছে, যা তাদের মতে সংস্থাটির নৈতিক অবস্থান ও বিশ্বাসযোগ্যতার জন্য বড় ধাক্কা।
উল্লেখ্য, সংঘাত-সম্পর্কিত যৌন সহিংসতা নিয়ে জাতিসংঘ মহাসচিবের বার্ষিক প্রতিবেদনের অংশ হিসেবে এই কালো তালিকা প্রকাশ করা হয়ে থাকে, যেখানে সংঘর্ষকালীন ধর্ষণ ও অন্যান্য যৌন সহিংসতার অভিযোগে বিভিন্ন পক্ষকে চিহ্নিত করা হয়।
আপনার মতামত লিখুন :