ভেড়ামারায় নাতীকে ধ’র্ষ’ণে’র অভিযোগে সৎ নানাকে গণধোলাই দিয়ে পুলিশের সোপর্দ
ভেড়ামারা উপজেলা প্রতিনিধি, ইখলস হােসন
প্রকাশের সময় : মে ২৬, ২০২৬, ৭:২৩ অপরাহ্ণ
কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলায় সৎ নানা কর্তৃক ১৪ বছর বয়সী নাতীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি জানাজানি হলে উত্তেজিত জনতা অভিযুক্ত সাহাবুল ইসলামকে গণধোলাই দিয়ে পুলিশের কাছে সোপর্দ করে। অভিযুক্ত সাহাবুল ইসলাম জয়পুর গ্রাম এলাকার পরিষ্কার মন্ডলের ছেলে।
মঙ্গলবার (২৬ মে) বেলা ১১টার দিকে নওদাপাড়া সাবজোন অফিস এর পরিত্যক্ত কোয়ার্টারে এ ঘটনা ঘটে।
এলাকাবাসী ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, সাহাবুল তার দ্বিতীয় স্ত্রীকে নিয়ে নওদাপাড়ার সাবজোন অফিসের পরিত্যক্ত কোয়ার্টারে দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে বসবাস করে আসছে। এর আগেও সে বিভিন্ন নারীর সঙ্গে অবৈধ সম্পর্কের অভিযোগে আলোচিত ছিল। কয়েকদিন আগে ঈদের ছুটিতে ১৪ বছর বয়সী ভুক্তভোগী মেয়েটি তার নানীর বাড়িতে বেড়াতে আসে।
মঙ্গলবার সকালে নানী বাড়ির বাইরে গৃহস্থালির জিনিসপত্র কিনতে গেলে, নানীর অনুপস্থিতিতে সাহাবুল ইসলাম মেয়েটিকে ভয়ভীতি দেখিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী জানায়, এর আগেও প্রায় এক মাস আগে একইভাবে তাকে ভয় দেখিয়ে নির্যাতন করা হয়েছিল।
ঘটনাটি জানাজানি হলে মুহূর্তেই এলাকাবাসী ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। শত শত মানুষ অভিযুক্তকে আটক করে গণধোলাই দেয় এবং পরে পুলিশে খবর দেয়। ভেড়ামারা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে আহত অবস্থায় সাহাবুল ইসলামকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে থানা হাজতে নেওয়া হয়। ভুক্তভোগী কিশোরীকেও চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
গ্রেফতারকৃত সাহাবুল ইসলাম পুলিশের কাছে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে বলে জানা গেছে। তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের কথা জানিয়েছে।
এ বিষয়ে মো: দেলোয়ার হোসেন বলেন, “ঘটনাটি জানার পরপরই তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে বলে মনে হয়েছে। আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
আপনার মতামত লিখুন :