
ঈদুল আজহা উপলক্ষে পরিবারের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করতে ছুটির দ্বিতীয় দিনেও রাজধানী ছাড়ছেন ঘরমুখো মানুষ। মঙ্গলবার (২৬ মে) ভোর থেকেই মহাখালী বাস টার্মিনালে ছিল যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়। তবে অতিরিক্ত চাপ থাকলেও বাস চলাচল ছিল স্বাভাবিক এবং বেশিরভাগ যানবাহন নির্ধারিত সময়েই ছেড়ে গেছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, সকাল ৯টা পর্যন্ত বিভিন্ন গন্তব্যের বাস সময় মেনেই টার্মিনাল ত্যাগ করেছে। যাত্রীদের মধ্যেও তেমন কোনো ভোগান্তি বা অভিযোগ দেখা যায়নি। আগাম টিকিট কাটা যাত্রীরা জানান, মহাখালী টার্মিনালে যাত্রা ব্যবস্থা বেশ সুশৃঙ্খল রয়েছে।
যাত্রীরা বলছেন, অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার মহাখালী টার্মিনালে চাপ থাকলেও বিশৃঙ্খলা কম। টিকিট সংগ্রহ ও বাসে ওঠা—সবকিছুই তুলনামূলক স্বাভাবিকভাবে চলছে।
অন্যদিকে, গাবতলী বাস টার্মিনালে কিছু যাত্রী অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়ার অভিযোগ করলেও মহাখালীতে তেমন পরিস্থিতি দেখা যায়নি। যাত্রীরা বলছেন, ঈদের সময় বাড়তি চাপ থাকলেও মহাখালী টার্মিনালে পরিবহন ব্যবস্থাপনা নিয়ন্ত্রিত রয়েছে।
যারা আগে থেকে টিকিট কাটেননি, তাদের অনেকেই মঙ্গলবার টার্মিনালে এসে সরাসরি টিকিট সংগ্রহ করে বাড়ির উদ্দেশে রওনা হয়েছেন। টিকিট পেতে দীর্ঘ সময় অপেক্ষাও করতে হয়নি বলে জানিয়েছেন তারা।
ময়মনসিংহগামী যাত্রী আজহারুল ইসলাম বলেন, পরিবার নিয়ে ঈদ করতে গ্রামের বাড়ি যাচ্ছেন। তাদের রুটে সাধারণত আগাম টিকিটের প্রয়োজন হয় না। টার্মিনালে এসে অল্প সময় অপেক্ষা করেই টিকিট পেয়েছেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সড়কে যানজট না থাকলে নির্ধারিত সময়েই গন্তব্যে পৌঁছাতে পারবেন।
তবে রাতের বৃষ্টির কারণে উত্তরবঙ্গ ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের কিছু বাস এখনো টার্মিনালে পৌঁছাতে পারেনি। ফলে কয়েকটি কাউন্টারে যাত্রীদের অপেক্ষা করতে দেখা গেছে। তবুও সামগ্রিকভাবে মহাখালী বাস টার্মিনালের পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
আপনার মতামত লিখুন :