
সরকারের ঘোষিত ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির আওতায় সুন্দরবনে সক্রিয় সকল দস্যুকে দ্রুত আত্মসমর্পণের আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। একই সঙ্গে আত্মসমর্পণ না করলে তাদের বিরুদ্ধে আরও কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে বাহিনীটি।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) দুপুরে কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কোস্ট গার্ডের ধারাবাহিক অভিযানের ফলে সুন্দরবনের বিভিন্ন ডাকাত বাহিনী এখন চাপে রয়েছে। এর ধারাবাহিকতায় গত ১৭ মে রাতে বাগেরহাটের মোংলার নন্দবালা খাল এলাকায় কুখ্যাত ছোট সুমন বাহিনীর প্রধান সুমন হাওলাদারসহ সাতজন সদস্য অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ কোস্ট গার্ডের কাছে আত্মসমর্পণ করে।
এ সময় তাদের কাছ থেকে তিনটি দেশীয় একনলা বন্দুক, দুটি পাইপগান, ২৫ রাউন্ড তাজা কার্তুজ এবং তিন রাউন্ড ফাঁকা কার্তুজ উদ্ধার করা হয়। কোস্ট গার্ড জানায়, আত্মসমর্পণকারী সদস্যরা দীর্ঘদিন ধরে সুন্দরবনে ডাকাতি, জেলে ও বাওয়ালিদের অপহরণ এবং মুক্তিপণ আদায়ের মতো অপরাধে জড়িত ছিল।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, একটি স্বার্থান্বেষী মহল কোস্ট গার্ডের ভাবমূর্তি নষ্ট করতে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর চেষ্টা করছে। তবে এসব অপপ্রচার দস্যু দমন কার্যক্রমে কোনো প্রভাব ফেলতে পারবে না বলে জানানো হয়।
বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড সুন্দরবনের সক্রিয় সব দস্যুকে অস্ত্র ছেড়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার আহ্বান জানিয়েছে। পাশাপাশি যারা অপরাধ কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাবে, তাদের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতে আরও কঠোর অভিযান পরিচালনার কথাও জানানো হয়েছে।
আপনার মতামত লিখুন :