
দেশের জ্বালানি চাহিদা পূরণে আগামী জুন মাসের জন্য এখন পর্যন্ত ১৬টি পরিশোধিত (ফিনিশড) ও অপরিশোধিত (ক্রুড অয়েল) তেলবাহী জাহাজ নিশ্চিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি)। সংস্থাটি বলছে, দেশে বর্তমানে পর্যাপ্ত জ্বালানি মজুত রয়েছে এবং সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে নিয়মিত আমদানি কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
শুক্রবার (১৫ মে) বিপিসির মহাব্যবস্থাপক (বাণিজ্য ও অপারেশনস) মোহাম্মদ জাহিদ হোসাইন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, চলতি মাসে এখন পর্যন্ত ১৪টি তেলবাহী জাহাজ দেশে এসেছে। এছাড়া মে মাসের বাকি দিনগুলোতে আরও ৫টি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে নোঙর করবে। এসব জাহাজে মোট ৩ লাখ ৮৫ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল, ৬৭ হাজার টন জেট ফুয়েল, ২৬ হাজার ৫০০ টন অকটেন এবং ৭৫ হাজার টন ফার্নেস অয়েল রয়েছে।
বিপিসি জানিয়েছে, জ্বালানি তেল আমদানি সরকার ও সংস্থাটির একটি চলমান এবং পরিকল্পিত প্রক্রিয়া। দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিয়মিতভাবে পরিশোধিত ও অপরিশোধিত তেল আমদানি করা হচ্ছে। আজও একটি তেলবাহী জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে নোঙর করার কথা রয়েছে।
এদিকে ‘এমটি ফসিল’ নামে একটি জাহাজ ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল নিয়ে গত সোমবার চট্টগ্রামের উদ্দেশে যাত্রা করেছে। বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশনের (বিএসসি) ব্যবস্থাপনা পরিচালক কমডোর মাহমুদুল মালেক জানিয়েছেন, সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী চললে জাহাজটি আগামী ২৩ মে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছাবে।
এর আগে গত ৬ মে সৌদি আরবের ইয়ানবু বন্দর থেকে ১ লাখ টন ক্রুড অয়েল নিয়ে ‘এমটি নিনেমিয়া’ নামের একটি অপরিশোধিত তেলবাহী জাহাজ কুতুবদিয়া চ্যানেলে পৌঁছায়।
জ্বালানি তেলের বৈশ্বিক বাজারে অস্থিরতার মধ্যেও সরকার নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করতে তৎপর রয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা। বিপিসির কর্মকর্তারা আশা করছেন, নির্ধারিত সময় অনুযায়ী জাহাজগুলো দেশে পৌঁছালে জ্বালানি সরবরাহে কোনো ধরনের সংকট তৈরি হবে না।
আপনার মতামত লিখুন :