পরিচালক (সংস্থাপন) এ এস এম সিরাজুদ্দোহা বলেন, ফল প্রকাশের জন্য একটি লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছিল। তবে খাতা মূল্যায়নসহ অনেক কাজ এখনো বাকি রয়েছে। তাই এখনই নির্দিষ্ট তারিখ বলা যাচ্ছে না। তবে ঈদুল আজহার ছুটির আগেই ফল প্রকাশের সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, পরীক্ষার্থীর সংখ্যা অনেক বেশি হওয়ায় পুরো প্রক্রিয়াটি সময়সাপেক্ষ ও কষ্টসাধ্য হয়ে উঠেছে। তারপরও দ্রুত কাজ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এ বছর মোট ৮২ হাজার ৫০০ শিক্ষার্থীকে বৃত্তি দেওয়া হবে। এর মধ্যে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য ৬৬ হাজার এবং বেসরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য ১৬ হাজার ৫০০টি বৃত্তি নির্ধারণ করা হয়েছে।
মেধাক্রম ও জেলা-উপজেলাভিত্তিকভাবে এ বৃত্তি প্রদান করা হবে। সরকারি বিদ্যালয়ের ক্ষেত্রে প্রতি ৮ জনে একজন এবং বেসরকারি বিদ্যালয়ের ক্ষেত্রে প্রতি সাড়ে ৫ জনে একজন শিক্ষার্থী বৃত্তি পাওয়ার সুযোগ পাবে।
এবারও দুই ধরনের বৃত্তি দেওয়া হবে। ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পাবে ৩৩ হাজার শিক্ষার্থী এবং সাধারণ বৃত্তি পাবে ৪৯ হাজার ৫০০ জন। বর্তমানে ট্যালেন্টপুলের শিক্ষার্থীরা মাসে ৩০০ টাকা ও বছরে এককালীন ২২৫ টাকা পেয়ে থাকে। অন্যদিকে সাধারণ বৃত্তিপ্রাপ্তরা মাসে ২২৫ টাকা ও বছরে এককালীন ২২৫ টাকা পায়। পঞ্চম শ্রেণি পাসের পর পরবর্তী দুই বছর এ সুবিধা বহাল থাকবে।
এদিকে, প্রাথমিক বৃত্তির অর্থ দ্বিগুণ থেকে চার গুণ পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাব করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। অর্থ মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন পেলে আগামী বছরের পরীক্ষার্থীদের জন্য বাড়তি হারে বৃত্তির অর্থ কার্যকর হতে পারে।
আপনার মতামত লিখুন :