
দেশের মোট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আবারও বেড়ে ৩৪ হাজার ৩৩৬ দশমিক ৭১ মিলিয়ন বা ৩৪ দশমিক ৩৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে দাঁড়িয়েছে। মঙ্গলবার (১২ মে) বাংলাদেশ ব্যাংক এ তথ্য জানিয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান গণমাধ্যমকে জানান, ১২ মে পর্যন্ত দেশের গ্রস রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩৪ হাজার ৩৩৬ দশমিক ৭১ মিলিয়ন ডলার। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বিপিএম–৬ হিসাব পদ্ধতিতে দেশের রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ২৯ হাজার ৬৫১ দশমিক ৮৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
এর আগে ১১ মে পর্যন্ত গ্রস রিজার্ভ ছিল ৩৪ হাজার ২২৬ দশমিক ৩৩ মিলিয়ন ডলার এবং বিপিএম–৬ অনুযায়ী রিজার্ভ ছিল ২৯ হাজার ৫৬৫ দশমিক ৬৬ মিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ এক দিনের ব্যবধানে উভয় সূচকেই রিজার্ভ কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানান, গ্রস রিজার্ভ হলো মোট রিজার্ভের পরিমাণ, যেখানে সব ধরনের সম্পদ অন্তর্ভুক্ত থাকে। অন্যদিকে আইএমএফের বিপিএম–৬ পদ্ধতিতে স্বল্পমেয়াদি দায় বাদ দিয়ে নিট বা প্রকৃত রিজার্ভ হিসাব করা হয়, যা দেশের প্রকৃত বৈদেশিক সক্ষমতা মূল্যায়নে ব্যবহৃত হয়।
এর আগে গত রোববার এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) মার্চ ও এপ্রিল মাসের আমদানি বিল পরিশোধ করা হয়, যার পরিমাণ ছিল ১৫১ কোটি ৪৯ লাখ ৪০ হাজার ডলার। ওই বিল পরিশোধের পর রিজার্ভে সাময়িক চাপ সৃষ্টি হলেও পরবর্তী সময়ে তা আবার পুনরুদ্ধারের প্রবণতা দেখা যাচ্ছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, আকু বিল পরিশোধের পর আইএমএফের বিপিএম–৬ পদ্ধতিতে রিজার্ভ কিছুটা কমে গেলেও বর্তমানে তা পুনরায় বাড়তে শুরু করেছে। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, রপ্তানি আয় ও প্রবাসী আয় বাড়লে রিজার্ভ আরও স্থিতিশীল থাকবে।
আপনার মতামত লিখুন :