সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০২৫ এর আওতায় প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত ১৪ হাজার ৩৮৪ জন প্রার্থীর পূর্ব কার্যকলাপ, কাগজপত্র ও ডকুমেন্টস যাচাইয়ে জরুরি নির্দেশনা দিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। রোববার (১০ মে) অধিদপ্তরের পলিসি ও অপারেশন বিভাগের সহকারী পরিচালক (নিয়োগ) আইরিন পারভীন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়-এর অধীন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০২৫ এর শূন্য পদে প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত প্রার্থীদের বিষয়ে বিস্তারিত যাচাই-বাছাই কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।
নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়, নির্বাচিত ১৪ হাজার ৩৮৪ জন প্রার্থীর পূর্ব কার্যকলাপ পুলিশি তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করতে হবে। পাশাপাশি প্রার্থীদের জমা দেওয়া শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ, জাতীয় পরিচয়পত্র, জন্মনিবন্ধনসহ অন্যান্য ডকুমেন্টস ও কাগজপত্রের সত্যতাও নিশ্চিত করতে হবে। অধিদপ্তর জানিয়েছে, নিয়োগ প্রক্রিয়াকে স্বচ্ছ ও নির্ভুল রাখতে এই যাচাই কার্যক্রম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কোনো ধরনের তথ্য গোপন, জাল কাগজপত্র বা অসত্য তথ্য পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।
এ অবস্থায় সংশ্লিষ্ট জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের কর্তৃপক্ষকে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ জানানো হয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে অতীতের তুলনায় এবার যাচাই প্রক্রিয়াকে আরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এতে যোগ্য ও উপযুক্ত প্রার্থীদের নিয়োগ নিশ্চিত হবে বলে তারা মনে করছেন।
আপনার মতামত লিখুন :