ট্রাভেল এজেন্সি নিয়ে সরকারের জরুরি সতর্কবার্তা


অনলাইন ডেস্ক প্রকাশের সময় : মে ১০, ২০২৬, ৭:১৯ অপরাহ্ণ
ট্রাভেল এজেন্সি নিয়ে সরকারের জরুরি সতর্কবার্তা

মানবপাচারের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে আলোচিত একটি ট্রাভেল এজেন্সি নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হওয়ায় জরুরি ব্যাখ্যা দিয়েছে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়। সম্প্রতি প্রকাশিত একটি সংবাদকে কেন্দ্র করে বিষয়টি পরিষ্কার করতে রোববার (১০ মে) মন্ত্রণালয় থেকে একটি তথ্যবিবরণী প্রকাশ করা হয়।

মন্ত্রণালয় জানায়, আলোচিত এজেন্সিটির নাম ড্রিম হোম ট্রাভেলস, যা ড্রিম হোম ট্রাভেলস অ্যান্ড ট্যুরস লিমিটেড নামের অন্য একটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বিভ্রান্ত হওয়া উচিত নয়। মানবপাচারের অভিযোগে যেই প্রতিষ্ঠানটি আলোচনায় এসেছে, সেটি আলাদা একটি ট্রাভেল এজেন্সি।

তথ্যবিবরণীতে আরও জানানো হয়, ২০২৫ সালের ২৮ জানুয়ারি “রাশিয়ায় যুদ্ধে আট বাংলাদেশি” শিরোনামে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনের পর বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হয়। তদন্তে জানা যায়, ড্রিম হোম ট্রাভেলস-এর ট্রাভেল এজেন্সি সনদের মেয়াদ ২০২১ সালের ৩ এপ্রিল শেষ হয়ে গেছে। প্রতিষ্ঠানটির স্বত্বাধিকারী হিসেবে এম এম আবুল হাসানের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

মন্ত্রণালয় স্মরণ করিয়ে দিয়েছে যে, বাংলাদেশ ট্রাভেল এজেন্সি নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ আইন-২০১৩ অনুযায়ী দেশে ট্রাভেল এজেন্সি পরিচালনার জন্য নিবন্ধন বাধ্যতামূলক। বর্তমানে সকল নিবন্ধন ও নবায়ন কার্যক্রম অনলাইনে ট্রাভেল এজেন্সি ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম–এর মাধ্যমে সম্পন্ন করা হয়।

এতে আরও বলা হয়, নিবন্ধন ছাড়া বা মেয়াদোত্তীর্ণ সনদ নিয়ে কোনো ট্রাভেল এজেন্সির ব্যবসা পরিচালনা সম্পূর্ণ বেআইনি। সম্প্রতি কিছু প্রতিষ্ঠান নিবন্ধন নবায়ন ছাড়াই কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে এবং যাত্রীদের সঙ্গে প্রতারণা ও হয়রানির অভিযোগও পাওয়া যাচ্ছে।

এ অবস্থায় সাধারণ ভ্রমণকারী ও গ্রাহকদের প্রতি সতর্কবার্তা দিয়ে মন্ত্রণালয় অনুরোধ জানিয়েছে, অনিবন্ধিত বা মেয়াদোত্তীর্ণ ট্রাভেল এজেন্সির সঙ্গে কোনো ধরনের আর্থিক লেনদেন না করতে। এছাড়া টিকিট বা ট্যুর প্যাকেজ কেনার আগে সংশ্লিষ্ট এজেন্সির নিবন্ধন ও নবায়নের তথ্য অনলাইনে যাচাই করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এতে সম্ভাব্য প্রতারণা ও আর্থিক ক্ষতি থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব হবে বলে জানায় মন্ত্রণালয়।