
জনগণ এখন গুম, অপহরণ ও ভয়ের সংস্কৃতিমুক্ত একটি রাষ্ট্র ও সমাজ দেখতে চায় বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, দীর্ঘ দেড় দশকের বেশি সময় পর দেশে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে একটি গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (৯ মে) ‘পুলিশ সপ্তাহ-২০২৬’ উপলক্ষে দেওয়া এক ফেসবুক পোস্টে তিনি এসব কথা বলেন। আসন্ন পুলিশ সপ্তাহ শুরু হচ্ছে ১০ মে থেকে, চার দিনব্যাপী এই কর্মসূচি চলবে ১৩ মে পর্যন্ত।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার বার্তায় বলেন, জনগণ এখন এমন একটি রাষ্ট্র ও সমাজ প্রত্যাশা করে যেখানে জানমালের কোনো ভয় থাকবে না এবং অবিচার, অনাচার কিংবা নির্যাতন-নিপীড়নের আশঙ্কাও থাকবে না। এই প্রত্যাশিত পরিস্থিতি বজায় রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, বিশেষ করে পুলিশের ভূমিকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি আরও বলেন, একটি রাষ্ট্রের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ প্রতিরোধ এবং জনগণের জানমালের নিরাপত্তা বিধানে বাংলাদেশ পুলিশ–এর বিকল্প নেই। তবে পুলিশ যদি জনগণের সঙ্গে আস্থা ও বিশ্বাসের সম্পর্ক গড়ে তুলতে পারে, তাহলে দায়িত্ব পালন আরও সহজ ও কার্যকর হবে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতা ও জনগণের আস্থা রক্ষায় একটি পেশাদার ও দায়িত্বশীল পুলিশ বাহিনী অপরিহার্য। তিনি আশা প্রকাশ করেন, প্রতিবছরের মতো এবারও পুলিশ সপ্তাহ পুলিশের জন্য নিজেদেরকে জনগণের বিশ্বস্ত বাহিনী হিসেবে গড়ে তোলার অঙ্গীকারের একটি সুযোগ হয়ে উঠবে।
তিনি পুলিশ সদস্যদের সাবেক ও বর্তমান সবাইকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। পাশাপাশি বলেন, বর্তমান সরকার একটি ন্যায়ভিত্তিক, মানবিক ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ করছে। তবে জননিরাপত্তা ও আস্থা নিশ্চিত না হলে সেই লক্ষ্য অর্জন কঠিন হবে।
তিনি মব সহিংসতা, কিশোর গ্যাং এবং মাদকের বিস্তার রোধে পুলিশের আরও কার্যকর ভূমিকা প্রত্যাশা করেন। একইসঙ্গে পুলিশের আধুনিকায়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপরও গুরুত্বারোপ করেন। সবশেষে তিনি বলেন, পুলিশ সপ্তাহ-২০২৬ যেন জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং জনগণের আস্থা অর্জনের নতুন অঙ্গীকারের প্রতীক হয়ে ওঠে।
আপনার মতামত লিখুন :