র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-এর আভিযানিক সক্ষমতা আরও জোরদার করতে ১৬৩টি যানবাহন কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এর মধ্যে রয়েছে ৩টি জিপ, ১০০টি টহল পিকআপ এবং ৬০টি এসি মাইক্রোবাস। দরপত্র ছাড়াই সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে এসব যানবাহন কেনা হবে, যার জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে ১২২ কোটি টাকারও বেশি।
বৃহস্পতিবার (৭ মে) সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ প্রস্তাবের অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন “র্যাব ফোর্সেসের আভিযানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি (১ম সংশোধিত)” শীর্ষক প্রকল্পের অধীনে ২০২৫–২৬ অর্থবছরের জন্য এ যানবাহন ক্রয়ের প্রস্তাব উপস্থাপন করা হয়। কমিটি প্রস্তাবটি পর্যালোচনা শেষে অনুমোদন দেয়।
প্রস্তাব অনুযায়ী, ৩টি জিপ, ১০০টি প্যাট্রল পিকআপ এবং ৬০টি এসি মাইক্রোবাস রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান প্রগতি ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড-এর মাধ্যমে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে সংগ্রহ করা হবে। এর আগে গত ২৭ জানুয়ারি অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি (সিসিইএ) এ বিষয়ে নীতিগত অনুমোদন দিয়েছিল।
জানা গেছে, গত ৫ এপ্রিল অর্থ বিভাগের পরিপত্রে সব ধরনের যানবাহন ক্রয় স্থগিত থাকলেও দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ এবং র্যাবের আভিযানিক সক্ষমতা বৃদ্ধির জরুরি প্রয়োজন বিবেচনায় বিশেষভাবে এ প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হয়।
প্রকল্পটি ২০১৮ সালের ৭ নভেম্বর জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)-এর অনুমোদন পায়। এর মেয়াদ নির্ধারণ করা হয়েছে ২০১৮ সালের ১ ডিসেম্বর থেকে ২০২৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত। চলতি বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এআরডিপি)-তে প্রকল্পটির জন্য বরাদ্দ রয়েছে ১৬০ কোটি টাকা। সরকারের এ সিদ্ধান্তের মাধ্যমে র্যাবের মাঠ পর্যায়ের অভিযান, দ্রুত প্রতিক্রিয়া এবং পরিবহন সক্ষমতা আরও শক্তিশালী হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
আপনার মতামত লিখুন :